সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে ফের অ্যাকশন মুডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(Enforcement Directorate)।। কয়লা পাচার মামলায় বাংলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি থেকে শুরু করে অনেক হাই প্রোফাইল ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ইডির আধিকারিকরা। এবার এই ঘটনাতেই আরও বিরাট মোড় সামনে এল। জানা গিয়েছে, এখন কয়লা পাচার মামলায় ফের ED-র তলব পেলেন পুলিশ কর্মী মনোরঞ্জন মণ্ডল।
কয়লা পাচার মামলায় ফের ED-র তলব মনোরঞ্জন মণ্ডলকে
এই প্রথম নয়, এর আগেও পুলিশ কর্তা মনোরঞ্জন মণ্ডলকে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ে তিনি হাজিরা দেননি। ইডি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি বুদবুদ থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মনোরঞ্জন ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বারবার সমন জারির পরও জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে চলেছেন। এখন ফের একবার তাঁকে ডেকে পাঠানো হল। মনোরঞ্জন মণ্ডলের পাশাপাশি দুর্গাপুর সেপকো টাউনশিপের ব্যবসায়ী প্রবীর দত্তকেও একই মামলায় তলব করেছে ED।
এই প্রবীর দত্তের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। কয়লা পাচার মামলায় বড় অঙ্কের ‘প্রোটেকশন মানি’ -র লেনদেন প্রসঙ্গেই সামনে এসেছে মনোরঞ্জন মণ্ডলের নাম। ইডি সূত্রে খবর, মনোরঞ্জন ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আসানসোল ও দুর্গাপুরে চিন্ময় এবং বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশে একটি কয়লা চোরাচালান সিন্ডিকেট পরিচালনা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই মাসের শুরুতে, ইডি দুর্গাপুরে মনোরঞ্জনের বাসভবনে একটি অভিযান চালায় দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা ধরে।
কয়লা পাচার মামলায় ধৃত ২
দুদিন আগেই ইডি কয়লা পাচার মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই কয়লা ব্যবসায়ীকে একাধিক দফা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তদের নাম কিরণ খান এবং চিন্ময় মণ্ডল। সূত্রের খবর, চিন্ময় কয়লা পাচার মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত লালার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সূত্রমতে, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের সময় বেশ কয়েকটি অসঙ্গতি উঠে আসে, যার ফলে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে, একটি কয়লা পাচারের মামলায়, ইডি প্রতীক জৈনের বাসভবন এবং আই-প্যাক অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল। এই পদক্ষেপ ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয় এবং বিষয়টি হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট উভয় পর্যন্ত পৌঁছায়।