কারও তিন বিয়ে ১৪ সন্তান, কারও ৯ সন্তান! আরামবাগে ৪০ সদস্যের ফ্যামিলি হিয়ারিংয়ে

SIR Hearing Controversy

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের আবহে SIR হিয়ারিং (SIR Hearing Controversy)নিয়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি জেলায় জেলায়। হয়রানির শিকার হয়ে সাধারণ জনতা এতটাই ক্ষেপে উঠেছে যে চারিদিকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে। আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিডিও অফিসে, তীব্র টানাপড়েন চলছে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে। এমতাবস্থায় আজব ঘটনা ঘটল হুগলি জেলার আরামবাগে। জানা গিয়েছে ওই এলাকার কারো কারোর ২-৩ টে বিয়ে হওয়ায় সন্তান সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২-১৩ তে, এবার তাই গোটা পরিবারকেই ডাকা হচ্ছে SIR শুনানির জন্য। চাপ বাড়ল সেখানকার BLO-র।

একই পরিবারে ৪০ সদস্যকে SIR নোটিশ

স্থানীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, হুগলি জেলার আরামবাগের অন্তর্গত মাধবপুর জেলা অঞ্চলে বেশ কয়েকটি পরিবারের সমস্ত সদস্যদের তথ্যের অমিল থাকায় SIR শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। সেখানে কোথাও দেখা যাচ্ছে এক ব্যক্তির ২ টি বিয়ে, কারোর আবার ৩-৪ টি বিয়ে, সেক্ষেত্রে কারোর সন্তানের সংখ্যা ১৩-১৪ তো কারোর আবার ৯ টি। সবমিলিয়ে সেই পরিবারের সদস্যসংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৪০ এর কাছাকাছি। তাই এবার সকল সদস্যকেই শুনানির জন্য ডাকল কমিশন। আর সেই হিয়ারিং করতে গিয়ে কালঘাম ছুটল বিএলও-র।

চটজলদি সমাধানের আর্জি কমিশনকে

স্থানীয় BLO-র অভিযোগ, ৬ এর বেশি অধিক সন্তান থাকলেও গোটা পরিবারকে হিয়ারিং-এর জন্য ডাকা হচ্ছে, নোটিশ বিলি করতেই তাঁদের চল বাড়ছে, এছাড়াও বাড়তি SIR এর কাজ রয়েছে। সব ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে সামান্যতম বানান ভুলের জন্য হিয়ারিং এর জন্য ডাকা হচ্ছে। তাই তাঁদের দাবি নির্বাচন কমিশন যেন সুষ্ঠভাবে বিবেচনা করে এই সকল জটিল সমস্যাগুলি চটজলদি সমাধান করে। একই অভিযোগ তুলছে হিয়ারিংয়ে ডাকা ভোটারদের।

আরও পড়ুন: টানা ১৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকছে বিদ্যাসাগর সেতু! কবে, কখন? বিজ্ঞপ্তি কলকাতা পুলিশের

প্রসঙ্গত, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু থেকেই নেতিবাচক মনোভাব দেখিতে চলেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এমতাবস্থায় বলাগড়ে SIR প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র টানাপড়েন। অভিযোগ সাত নম্বর ফর্ম ব্যবহার করে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আর এই অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে তুলেছে তৃণমূল। যার ফলে বলাগড়ে তৈরি হল ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। মুখ্যমন্ত্রীর কুশপুতুল পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান তাঁরা। পরে বলাগড় থানার পুলিশবাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

Leave a Comment