কৃষ্ণনগর-আমঘাটার পর নদিয়া জেলা পাবে আরও একাধিক রেল লাইন, কোথায় কোথায়?

Rail Project In Nadia

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে রেল পথ সম্প্রসারণের কাজ। সাধারণ মানুষের দাবী অনুযায়ী, আগামী দিনে একাধিক নতুন রেল পথ পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। রেল ব্যবস্থার মাধ্যমে যুক্ত হতে পারে কৃষ্ণনগর ও করিমপুর। কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর পর্যন্ত রেল সংযোগ করার ব্যাপারে দীর্ঘ ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন সাধারণ মানুষ। অবশেষে কিছুটা আশার আলো। নদীয়াবাসীর জন্য রেল নিয়ে (Rail Project In Nadia) রয়েছে সুখবর।

অবশেষে রেলপথে জুড়বে কৃষ্ণনগর ও করিমপুর?

নদীয়া জেলার অন্যতম প্রাণ কেন্দ্র কৃষ্ণনগর। অথচ চাহিদা অনুযায়ী নেই পর্যাপ্ত রেলপথ। যাতায়াতের জন্য মূলত ভরসা সড়ক পথ, যেখানে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। সড়ক পথে একের পর দুর্ঘটনার ফলে যাত্রীদের মধ্যেও বেড়েছে আতঙ্ক। তার ওপর ভাড়া বেশি। রেলের তুলনায় বাস কিংবা সড়ক পথের অন্যান্য পরিবহন মাধ্যমে যাতায়াত খরচ পড়ে অনেকটাই বেশি। গন্তব্যস্থলে দ্রুত পৌঁছানোর ব্যাপারে রেলের জুরি মেলা ভার। সব মিলিয়ে, সঙ্গত কারণেই নতুন রেলপথের জন্য দাবি জানিয়েছে এসেছেন আমজনতা।

সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী, রানাঘাট থেকে দত্তপুলিয়া পর্যন্ত নতুন রেল পথের জন্য মিলেছে অনুমোদন। নতুন রেল পথ সুনিশ্চিত করার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছেন রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। রিপোর্ট অনুযায়ী, রানাঘাট – দত্তপুলিয়া রেল পথ অনুমোদন পাওয়ার বিষয়টি তিনিই প্রকাশ্যে এনেছেন। আগামী দিনে কৃষ্ণনগর – করিমপুর এবং কৃষ্ণনগর থেকে নবদ্বীপ ঘাট পর্যন্তও যাতে রেল রুটের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়, সে ব্যাপারটিও স্থানীয় প্রশাসনের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই দুই রেললাইন প্রকল্পের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন রানাঘাটের সাংসদ।

আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি, বারাণসী হাইস্পিড রেল করিডর! বাজেটে বাংলার জন্য একাধিক ঘোষণা

কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ কেন এত জরুরি?

১. সুলভে এবং সহজে করিমপুর, তেহট্ট, চাপড়া সহ একাধিক এলাকার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
২. কৃষ্ণনগর আদালত, মেডিক্যাল কলেজ ও প্রশাসনিক দপ্তরে পৌঁছানো আরও দ্রুত হবে।
৩. ছাত্রছাত্রী ও চাকরিজীবীদের সময় ও খরচ দুটোই বাঁচবে।
৪. কৃষিপণ্য, ব্যবসা ও ছোট শিল্পের পরিবহণে গতি আসবে।
৫. সড়কের উপর চাপ কমবে, দুর্ঘটনাও কমবে।
৬. নদীয়া জেলার সার্বিক অর্থনৈতিক ও দ্রুত সামাজিক উন্নয়ন।

Leave a Comment