প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সাতসকালে ভয়ংকর কাণ্ড!নিউটাউনের জঙ্গলে থেকে মিলল এবার সদ্যোজাতের দেহ। জানা গিয়েছে, আজ, সাতসকালে নিউটাউন চন্ডীবেড়িয়ায় আবর্জনা স্তূপ থেকে উদ্ধার সদ্যোজাতের (Newborn Baby Body Discovered) নিথর দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তবে এই ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা এখনও জানা যায়নি। কিন্তু গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। শিশু মৃত্যুর কারণ নিয়েও চলছে জোর গতিতে তদন্ত।
ঠিক কী ঘটেছিল?
স্থানীয় রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ শনিবার নিউটাউনের চণ্ডীবেড়িয়ার রামকৃষ্ণপল্লি সেতুর কাছে উদ্ধার হল এক সদ্যোজাত শিশুর দেহ। সাত সকালে এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এলে শিশুটির দেহ উদ্ধার করে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেই শিশুটিকে মৃত বলে জানানো হয়। এরপরেই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কে বা কারা ওই সদ্যোজাতকে ফেলে দিয়ে গেল সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে আশপাশের নজর ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
গুটখার পিক ফেলতে গিয়ে ভয়ংকর দৃশ্য
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, আজ সকালে একটি চায়ের দোকানের কাছে আবর্জনার স্তূপের মধ্যে ওই সদ্যোজাতকে দেখতে পান স্থানীয়রা। সেখানকার বাসিন্দা প্রদীপ হালদার নামে ব্যক্তি সংবাদমাধ্যমে জানান, “আমরা সকাল ৬টা নাগাদ চায়ের দোকানে এসেছিলাম। সেই সময় একজন গুটখার পিক ফেলতে গিয়ে পাশের জঙ্গলে আবর্জনা স্তূপের দিকে যান। তখনই তিনি ওই সদ্যোজাতর দেহ দেখতে পান এবং চিৎকার করেন। তাঁর এই ভয়ংকর চিৎকারে শুনে সবাই দৌড়ে যাই। তারপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশে।”
আরও পড়ুন: SIR নিয়ে ২৬টি কবিতা লিখলেন মমতা, পুস্তক প্রকাশিত হল কলকাতা বইমেলায়
এর আগেও, নিউটাউনের জঙ্গলে সদ্যজাত শিশু উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশ সহ অনেকের প্রাথমিক ধারণা, রাতের অন্ধকারে নবজাতকের দেহ এখানে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেক্ষেত্রে শিশুটিকে মেরে দেহ ফেলা হয়েছে নাকি ফেলে দেওয়ার পর মৃত্যু হয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠছে। এছাড়াও এই ঘটনায় মনুষ্যত্ববোধ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। আবার অনেকের ধারণা লোকলজ্জার ভয়ে কোনও কুমারী মা সদ্যোজাতকে ফেলে দিয়ে গিয়েছেন। তবে সবটাই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।