প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্য মাঘে চটজলদি শীত চলে যাওয়ায় সকলেই বেশ চিন্তিত। যদিও গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা (Weather Tomorrow) কিছুটা কমেছিল, বিশেষ করে রাতের দিকে। বিকেলের পর, সন্ধের দিকে এবং রাতের বেলায় বাতাসে বেশ কিছুটা শিরশিরানি অনুভূত হলেও, সেটাও খুবই সাময়িক। সেক্ষেত্রে বেশ বোঝাই যাচ্ছে যে শীত বিদায় নিতে খুব বেশিদিন বাকি নেই। কারণ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বিগত কয়েকদিনে। তবে এবার শীত নিয়ে বড় আপডেট দিল হাওয়া অফিস।
ডিসেম্বরের হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়েছিল বেশ কিন্তু জানুয়ারি পড়তে না পড়তেই ধীরে ধীরে বেড়েছিল দক্ষিণের তাপমাত্রা। আর এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির নেপথ্যে ছিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এখনও কাটেনি যার রেশ। যার ফলে সকাল ও রাতের দিকে হালকা শীত-শীত ভাব থাকলেও সূর্য ওঠার পর থেকে রোদের দাপট গরম বাড়তে থাকে। সাময়িক ভাবে মনে করা হচ্ছিল শীতের প্রভাব কমেছে। তবে, আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়ে দিল অন্য কথা। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে এইমুহুর্তে রাজ্যে মেঘ ঢুকেছে। কিন্তু সেই মেঘ কেটে গেলে আবার নাকি দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ নামবে। এক নজরে জেনে নেওয়া যাক কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া।
দক্ষিণবঙ্গে আগামীকালের আবহাওয়া
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা শীতল এবং শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। সকালের দিকে হালকা শীত থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে বেড়ে যাবে তাপমাত্রাও। পরে আবার শীতের আমেজ মিলবে মূলত সন্ধে থেকে রাত পর্যন্ত। মূলত আকাশ পরিষ্কার থাকবে। ভোরের দিকে হাল্কা থেকে মাঝারি কুয়াশার প্রভাব থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাই এখন আবার জাঁকিয়ে শীতের অনুভূতি হওয়ার সম্ভাবনা, নেই বললেই চলে। অন্যদিকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ধীরে-ধীরে নামবে দশ থেকে এগারো ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া
দক্ষিণবঙ্গে শীতের প্রকোপ কম থাকলেও উত্তরের একাধিক জেলায় শীতের দাপট বজায় থাকবে। দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। শুধু তাই নয়, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে আগামী কয়েকদিন ঘন কুয়াশার দাপট দেখা যাবে। সেক্ষেত্রে দৃশ্যমানতা কম থাকায় যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে। তবে বাকি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাবে। এছাড়াও আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস।