প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আইপ্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি-র অভিযানের রেশ এখনও কাটেনি। প্রতিনিয়ত এই অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং কেন্দ্রের মধ্যে সংঘাত বেড়েই চলেছে। এমতাবস্থায় কলকাতায় (Kolkata) হঠাৎ করেই দিল্লি থেকে ইডি ও সিবিআই এই কেন্দ্রীয় দুই তদন্ত এজেন্সির সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে শুরু হয়েছে উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি। চরম উৎকন্ঠার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে কি নির্বাচনের আগে বড় গো গণ্ডগোল হতে চলেছে রাজ্য রাজনীতিতে?
ED এবং CBI-এর আগমন কলকাতায়
গত বৃহস্পতিবার, আইপ্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি-র অভিযান নিয়ে একের পর এক উৎকন্ঠার পরিস্থিতি তৈরি হয়েই চলেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্র এবং রাজ্যের তরফে এই তদন্ত অভিযানকে নিয়ে মামলা উঠেছে হাইকোর্টে। এদিকে ঘটনার এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই দিল্লি থেকে একের পর এক ED এবং CBI আধিকারিকদের আগমন হয়েই চলেছে কলকাতায়। গত কয়েক দিনে দু’শো-র বেশি তদন্ত অফিসার কলকাতায় এসেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারি হস্টেল ও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে তাঁদের।স্বাভাবিকভাবেই এই দৃশ্য দেখে সকলের মনে একাধিক প্রশ্ন জাগছে। শাসক দলের একাংশের মধ্যে উৎকন্ঠা তৈরি হয়েছে যে কয়লা পাচার ও বেআইনি লেনদেনের অভিযোগে বড় কোনো নেতা আটক হতে চলেছে কিনা। অন্যদিকে বিজেপি নেতাদের মধ্যে উৎসাহও আবার দেখা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: মকর সংক্রান্তির দিন এইভাবে সাজিয়ে নিন রান্নাঘর, সংসারে বাড়বে সুখ সমৃদ্ধি
তদন্ত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা ED-র
লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের ফ্ল্যাটে ও সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে ইডি-র তল্লাশির সময়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই সময় তিনি একা ছিলেন তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা সহ সিনিয়র কিছু পুলিশ অফিসার। সেই সকল অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই ED সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। সেই মামলায় নাম উল্লেখ করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কর্তাদের।
আরও পড়ুনঃ ধোপে টিকল না তৃণমূলের অভিযোগ, I PAC কাণ্ডে ED-র দাবিতেই মান্যতা হাইকোর্টের
এদিকে, ভোটকুশলী সংস্থার দপ্তরে ইডি হানার অভিযোগে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে কলকাতা এবং রাজ্য পুলিশ। কলকাতার শেক্সপিয়ার সরণি থানার পরে তদন্তে গতি বাড়াল বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশও। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের সঙ্গে আইপ্যাক অফিসের নিরাপত্তারক্ষীদের বয়ান রেকর্ড মিলিয়ে দেখার কাজ চলছে।