‘প্রধানমন্ত্রী মোদী আমার উপর অসন্তুষ্ট!’ আবারও বড় বয়ান ট্রাম্পের

Donald Trump on Narendra Modi

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারত-মার্কিন সম্পর্কের মধ্যে নয়া মোড়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বক্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তোড়জোড়। হ্যাঁ, ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন শুল্ক নীতির কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নাকি তাঁর উপর খুব একটা খুশি নন! বিশেষ করে রাশিয়ার তেল আমদানিকে কেন্দ্র করে আরোপ করা অতিরিক্ত শুল্ক নিয়ে (Donald Trump on Narendra Modi)। এমনকি ভারতের সাথে প্রতিরক্ষার সম্পর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ঠিক কী বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প?

ওয়াশিংটনের হাউস রিপাবলিকানের বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এদিন ট্রাম্প বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো। তবে ওরা এখন অনেক শুল্ক দিচ্ছে। তাই তিনি খুব একটা খুশি নন। বিশেষ করে তেলের কারণে। যদিও রাশিয়া থেকে তেল কেনা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে ভারত। এদিকে ট্রাম্পের এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর শোরগোল।

আরও পড়ুন: ব্যয় ১,৪৬২ কোটি! ভারত থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টন ডিজেল কিনছে বাংলাদেশ

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের পণ্যের উপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। যার মধ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক সরাসরি রাশিয়া থেকে তেল কেনার সঙ্গে যুক্ত। আর ওয়াশিংটনের বক্তব্য, এই শুল্কের মাধ্যমেই তারা রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানির বাণিজ্য কমাতে বিভিন্ন দেশকে চাপ দিচ্ছে, যার কারণে ভারতের তরফে রাশিয়ার তেল আমদানিতে কাটছাঁট করা হয়েছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনও পরিসংখ্যান দেননি।

আরও পড়ুন: মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড দেওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

হেলিকপ্টার নিয়েও ট্রাম্পের বক্তব্য

প্রসঙ্গত, শুল্কের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে এদিন ট্রাম্প মুখ খুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভারত আমাকে বলেছে তারা পাঁচ বছর ধরে অ্যাপাচে হেলিকপ্টারের জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা তা বদলাচ্ছি। ভারত ৬৮টি অ্যাপাচে ইতিমধ্যেই অর্ডার দিয়েছে। আর এই মন্তব্য ঠিক এমন সময় আসলো, যখন ভারত ও আমেরিকার মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, সরবরাহ, বাণিজ্য ঘাটতি আর কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে বিভিন্ন রকম আলোচনা চলছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নয়া দিল্লির তরফ থেকে কোনওরকম আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। এখন দেখার পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়।

Leave a Comment