বিশ্বমঞ্চে উঁচু হল ভারতীয় ফুটবলের মাথা, পেরুর বড় ক্লাবে যোগ দিলেন মনীষা কল্যাণ

Manisha Kalyan Joins peru top division club Alianza Lima

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইন্ডিয়ান সুপার লিগ নিয়ে জট কাটলেও ভারতীয় ফুটবল যে এখনও গাড্ডায় তেমনটা মনে করেন অনেকেই। ক্রীড়া মহলের অনেকেরই বক্তব্য, এই মুহূর্তে জাতীয় ফুটবলের যা দশা তাতে আগামী দিন খুব অন্ধকার! যদিও সেই অন্ধকার দশা কাটাতে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন এবং কেন্দ্র একযোগে চেষ্টা চালাচ্ছে। আর ঠিক সেই আবহে বিশ্বমঞ্চে আরও একবার ভারতীয় ফুটবলের মাথা উঁচু করলেন স্বদেশী ফুটবলার মনীষা কল্যাণ (Manisha Kalyan)। ভারতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনি যোগ দিয়েছেন পেরুর সর্বোচ্চ ডিভিশনের ক্লাব আলিয়াঞ্জা লিমাতে।

ভারতীয় ফুটবলের ধারালো অস্ত্র মনীষা

ভারতীয় ফুটবলের সেরা অস্ত্র মনীষা কল্যাণ। তাঁর কেরিয়ার যবে থেকে আলোকিত হয়েছে তবে থেকেই বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল হয়েছে ভারতীয় ফুটবলের নাম। দেশের মহিলা ফুটবলার হিসেবে ইউরোপেও নিজের শক্ত পরিচিতি গড়েছেন 24 বছরের এই নারী ফুটবলার। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে প্রথম ভারতীয় হিসেবে গোল করার নজির থেকে শুরু করে, উয়েফা মহিলাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম ভারতীয় হিসেবে গোল, জর্জিয়ার ডব্লিউএফসি সেমগ্রেলোর বিরুদ্ধে অ্যাপোলোন লেডিজ় এফসি-র জার্সি গায়ে গোল, এশিয়ান গেমসে ভারতীয় ফুটবলকে স্বপ্ন দেখানো দেখে শুরু করে একাধিক রেকর্ড রয়েছে মনীষার নামে।

এবার সেই ভারতীয় নারীই পেরুর ক্লাবে যোগ দিয়ে চমকে দিলেন সকলকে। বৃহস্পতিবার, মেহার সোধি নামক একটি এক্স হ্যান্ডেল থেকে ভাইরাল হয় একটি পোস্ট। সেখানেই দাবি করা হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেশের মহিলা ফুটবলার, ভারতীয় ফুটবলের ধারালো অস্ত্র মনীষা যুক্ত হয়েছেন পেরুর সর্বোচ্চ ডিভিশনের ক্লাব আলিয়াঞ্জা লিমাতে। এখন দেখার, বিদেশের ক্লাবের হয়ে নিজেকে কতটা মেলে ধরতে পারেন এই ভারতীয় নারী ফুটবলার।

 

অবশ্যই পড়ুন: প্লেয়ারদের চাপে BPL নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত BCB-র

উল্লেখ্য, হোশিয়ারপুরের এক প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসেছিলেন মনীষা। ফুটবল পায়ে কী কী করা যায় তা মুখে বলে নয় বরং চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন এই স্বদেশী ফুটবলার। একবার এক সাক্ষাৎকারে মনীষা জানিয়েছিলেন, “অনুশীলনের ক্ষেত্রে আমি সবসময় সকলের আগে মাঠে যাই এবং সবার শেষে মাঠ ছাড়ি। বলা যেতে পারে পরিশ্রমের ফল পাচ্ছি। ফুটবলের প্রতি নিষ্ঠা এবং অধ্যাবসায়ই আমার মূলধন। তবে আমি আত্মতুষ্ট হতে একেবারেই চাই না। এখনও আমাকে বহুদূর যেতে হবে।”

Leave a Comment