প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দিনের পর দিন সোনার দাম যেন আকাশছোঁয়া হচ্ছে। তার উপর এখন চলছে বিয়ের মরশুম, এক টুকরো সোনা কেন যেন রীতিমত আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মধ্যবিত্তদের কাছে। এমতাবস্থায় সোনার দোকানে চুরির ঘটনাও সাম্প্রতিককালে বেড়েছে দেশজুড়ে। তাতেই বেশ চিন্তিত ব্যবসায়ীরা। তাই এবার জরুরি পদক্ষেপ নিতে নতুন নিয়ম চালু করল বিহারের (Bihar) অল ইন্ডিয়া জুয়েলার্স অ্যান্ড গোল্ড ফেডারেশন। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এখন থেকে হিজাব, নিকাব বা হেলমেট পরে দোকানে ক্রেতাদের ঢোকা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আর এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।
দোকানে সোনা কেনা নিয়ে নয়া নিয়ম
অল ইন্ডিয়া জুয়েলার্স অ্যান্ড গোল্ড ফেডারেশনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এবার থেকে বিহারের সোনার দোকানে ক্রেতারা বোরখা, হিজাব, নাকাব, হেলমেট, স্কার্ফে মুখ ঢেকে ঢুকতে পারবেন না। ক্রেতাদের পুরোপুরি মুখ দেখা না গেলে সোনার দোকানে ঢুকতেও দেওয়া হবে না। এবং পুরোপুরি মুখ দেখা গেলে তবেই সোনা কেনার সুযোগ পাওয়া যাবে। মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম জারি রয়েছে। ইতিমধ্যেই সেখানকার দোকানের সামনে বড় বড় পোস্টার লাগানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আবাস থেকে পাকা রাস্তা সহ তিন কর্মসূচি নিয়ে মেগা প্ল্যান নবান্নর
কেন এই পদক্ষেপ?
অল ইন্ডিয়া জুয়েলার্স অ্যান্ড গোল্ড ফেডারেশনের রাজ্য সভাপতি অশোক কুমার বর্মা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিককালে একাধিক চুরির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ক্রেতাদের হেলমেট পরে, মুখ ঢেকে সোনার দোকানে ঢুকতে দেখা গেছে। এভাবেই চুরির ঘটনাগুলি ঘটছে বেশিরভাগ সময়। তাই এই জরুরি পদক্ষেপ। বিহারের সোনার দোকানে এক মালিক বলেন, “গত বছর আমার দোকানে ডাকাতি হয়েছে। হেলমেট পরে এসেছিল ডাকাতরা। এখন অন্তত চেনা যাবে।” এদিকে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমাজের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। যদিও সংগঠনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে নিরাপত্তার খাতিরে এই পদক্ষেপ কোনরকম ধর্ম সংক্রান্ত কারণ এখানে নেই।
আরও পড়ুন: ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী! ফাইল কেড়ে নেওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ ED
বিহারে সোনার দোকানগুলির এহেন পদক্ষেপ মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়েছে। তাঁরা বলছেন, হিজাব ধর্মীয় পরিচয়ের অংশ, এটাকে হেলমেটের সঙ্গে তুলনা করা অপমানজনক। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে এটাকে ‘ইসলামোফোবিয়া’ বলে সমালোচনা করছেন। একইভাবে এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে সুর তুলেছে বিরোধী দলও। তবে ফেডারেশনের রাজ্য সভাপতি অশোক কুমার বর্মা জানিয়েছেন, পাটনার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিধিনিষেধে কোনও আপত্তি জানাননি তাঁরা।
V88 club, fala a verdade, quem não gosta de um lugar VIP? Esse clube tem tudo pra te fazer sentir o sheik! Joguei e aprovei! Conheça o v88 club.