ব্লু লাইনের ভূগর্ভস্থ স্টেশনগুলির জন্য বরাদ্দ ১২০১ কোটি টাকা, যাত্রীদের সুখবর দিলেন রেলমন্ত্রী

1201 Crore investment for Kolkata Metro Blue Line Tamil ventilation system

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কলকাতা মেট্রোর সবচেয়ে পুরনো অংশ ব্লু লাইনের ভূগর্ভস্থ স্টেশনগুলির টানেল ভেন্টিলেশন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করল রেলমন্ত্রক (Kolkata Metro)। সে কথা নিজে মুখেই জানালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। মেট্রোর উত্তর-দক্ষিণ শাখার বেশিরভাগ অংশই মাটির তলায়। ভূগর্ভস্থ অংশ দিয়ে ছুটে যায় মেট্রো। তাই মাটির নিচে থাকা স্টেশনগুলিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্বাচ্ছন্দ সর্বোপরি সুরক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে টানেল ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য এবার 1,201 কোটি টাকা বরাদ্দ করল রেলমন্ত্রক। সে কথাই জানালেন রেলমন্ত্রী।

বরাদ্দ অর্থে কোন কোন কাজ হবে?

কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনের ভূগর্ভস্থ স্টেশন গুলির টানেল ভেন্টিলেশন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ নিয়ে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, রেলমন্ত্রক ব্লু লাইনের এই অংশের আধুনিকীকরণের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করেছে তা দিয়ে মেট্রোর এই অংশের শীততাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং টানেল ভেন্টিলেশন সিস্টেমের আধুনিকীকরণের কাজ হবে। রেলমন্ত্রীর কথায়, “যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং আরামদায়ক পরিষেবাকে প্রাধান্য দিয়েই এমন পদক্ষেপ।”

আগেই জানা গিয়েছিল, মেট্রোর ভূগর্ভস্থ স্টেশন গুলিতে ব্যবহৃত ওয়াটার কুলড চিলারের পরিবর্তে এয়ার কুলড চিলার বসাতে চায় মেট্রো কর্তৃপক্ষ। তাতে প্রায় 18 কোটি লিটার ভূগর্ভস্থ জল সাশ্রয় করা যাবে বলেই মনে করছেন মেট্রো আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, জল সাশ্রয় করার পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ জলস্তর রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে এটি। এছাড়াও বাঁচানো যাবে বিদ্যুতের খরচ। রেলমন্ত্রী জানালেন, কেন্দ্রের বরাদ্দ অর্থে এইসব কাজই হবে। পাশাপাশি আধুনিক টানেল ভেন্টিলেশন সিস্টেমের মধ্যে ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকবে।

অবশ্যই পড়ুন: পাকিস্তান নয়, T20 বিশ্বকাপে ভারতের সবচেয়ে বড় শত্রুকে চিন নিন!

প্রসঙ্গত, মেট্রোর ব্লু লাইনের ভূগর্ভস্থ অংশে টানেল ভেন্টিলেশন সিস্টেমের আধুনিকীকরণের কাজ শেষ হতে সময় লাগবে প্রায় 4 বছর। সে কথা খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এ নিয়ে মেট্রো রেলের এক আধিকারিক নাম প্রকাশ না করার শর্ত জানিয়েছেন, মেট্রো প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ হয়েছে 1,201 কোটি টাকা। তবে এর মধ্যে মাত্র 585 কোটি টাকা খরচ করে টানেল ভেন্টিলেশন সিস্টেম এবং পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ বা এয়ারকন্ডিশনিং ব্যবস্থার কাজ করা হবে। বাকি অর্থ ব্যবহৃত হবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সহ অন্যান্য খাতে।

Leave a Comment