Bolívar
বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ডোনাল্ড ট্রাম্প জামানায় মাদক পাচারের অভিযোগে বারবার শিরোনামে এসেছে আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলার তিক্ততা। এর আগে বহুবার হুঁশিয়ারি দিয়ে সেনা মোতায়েনের জুজু দেখিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। শেষ পর্যন্ত তার থেকেও বেশি কিছু করে দেখাল আমেরিকা। ভেনেজুয়েলায় ক্রমাগত হামলা চালিয়ে দেশটির দখল নেওয়ার পর সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সহ তাঁর স্ত্রী এবং অন্যান্য সঙ্গীদের আটক করেছে মার্কিন সেনা। আর ঠিক সেই আবহে, সাধারণ মানুষের কৌতূহলের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ভেনেজুয়েলা। ভারতীয়রাও সেই তালিকার বাইরে নন। দেশবাসীর সবচেয়ে বড় জিজ্ঞাসা, ভেনেজুয়েলার বর্তমান কারেন্সি নিয়ে (Indian Rupee Vs Venezuelan Bolívar)। অনেকেরই প্রশ্ন, ভারতের 10,000 টাকা ওদেশে কত?
ভারতের 10 হাজার ভেনেজুয়েলায় কত?
প্রথমেই বলে রাখি, এই মুহূর্তে আমেরিকার দখলে থাকা দেশ ভেনেজুয়েলার কারেন্সির নাম ভেনেজুয়েলার বলিভার। যা সাধারণত VES কোড দ্বারা পরিচিত। সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ভেনিজুয়েলা এই কারেন্সি প্রবর্তন করেছিল। সাম্প্রতিককালে দেশটিতে ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক দুরবস্থার কারণে ভেনেজুয়েলার কারেন্সি ক্রমশ দুর্বল হয়েছে। বলাই বাহুল্য, দেশটিতে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে ভেনেজুয়েলার বলিভারের অল্প মূল্যের নোটগুলি একপ্রকার অবলুপ্তির পথে।
অবশ্যই পড়ুন: বন্দে ভারত স্লিপারের পর বাংলায় অমৃত ভারত এক্সপ্রেস দিতে চলেছে রেল, কোন রুটে চলবে?
এবার আসা যাক আসল কথায়, এই মুহূর্তে ভারতের 1 টাকা ভেনেজুয়েলায় 3.38 VES। একইভাবে, এদেশের 100 টাকা ভেনিজুয়েলায় 338.06 VES। তবে যদি হিসেবটা মোটা অঙ্কে করা যায় সে ক্ষেত্রে ভারতের 1,000 টাকা আমেরিকার দখলে থাকা ভেনেজুয়েলায় 3,380.57 VES এর সমান। একই নিয়মে এদেশ থেকে যদি কেউ ভেনেজুয়েলায় 10,000 টাকা নিয়ে যান সে ক্ষেত্রে তিনি হাতে পাবেন 33,805.70 VES। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, ভারতীয় রুপি ভেনেজুয়েলার বলিভারের তুলনায় কতটা শক্তিশালী।
অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বকাপে ভারতে দল পাঠাবে না বাংলাদেশ, সপাটে জবাব দিল BCCI!
উল্লেখ্য, বিগত দিনগুলিতে বারবার ভেনেজুয়েলা থেকে আমেরিকায় মাদক প্রচারের অভিযোগ তুলেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। আর তারপরই দেশটিতে হাড় কাঁপানো হামলা চালালো ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। যদিও ভেনেজুয়েলার অভিযোগ, এই হামলা মার্কিন আগ্রাসনের একটি ঘৃণ্য উদাহরণ। শুধুমাত্র ভেনেজুয়েলার তেল এবং খনিজ সম্পদ দখল করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। জানা গিয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মাদক পাচার এবং ভয়ংকর সব মারণাস্ত্র রাখার অভিযোগ তুলেছে মার্কিন আদালত।