সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আর মাত্র দুদিন পরেই রয়েছে সরস্বতী পুজো। বাগদেবীর আরাধনায় মেতে উঠবে বাংলা সহ সমগ্র দেশ। সে দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো কিংবা কালীপুজো, এখন যেন সব জায়গাতেই থাকে থিমের চমক। একাধিক পুজো ক্লাবগুলি এখন বেশিরভাগ পুজোকেই থিম করে দিয়েছে। সেখানে বাদ কেন যাবে সরস্বতী পুজো। সবথেকে বড় কথা, এবারে আপনি বাগদেবীর আরাধনার পাশাপাশি প্রশাসনকি প্রধান তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কিছু বই পড়তে পারবেন। কারণ মণ্ডপ তৈরিই হবে তাঁর লেখা বই দিয়ে। সরস্বতী পুজোর থিম হল গ্রন্থাগার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই নিয়ে তৈরি হল সরস্বতী পুজোর থিম
এখন আপনিও নিশ্চয়ই ভাবছেন কোথায় এমন পুজোর অনন্য থিম তৈরি করা হয়েছে? পুজোর উদ্যোক্তাই বা কে? তাহলে জানিয়ে রাখি, এরকম পুজো দেখতে আপনাকে এবারে ঢুঁ মারতে হবে উত্তর কলকাতার শ্যামবাজার এলাকায়। এখানে ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডক্টর মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায়ের এবারের সরস্বতী পুজোর থিম হল গ্রন্থাগার। শুধু গ্রন্থাগার বলা ভুল, মুক্ত গ্রন্থাগার। নাম ‘মমতাময় লাইব্রেরি’। ইতিমধ্যে এই লাইব্রেরির সূচনা হয়ে গিয়েছে।
থাকবে মুখ্যমন্ত্রীর লেখা ২০০টি বই
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু শুধুমাত্র প্রশাসনিক কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন, তিনি বই, গান লেখা থেকে শুরু করে ছবি আঁকা সহ এরকম নানা কাজে মন দিয়েছেন। যাইহোক, তবে এবারের সরস্বতী পুজোর এরকম অভিনব থিম দেখে অনেকেই অবাক এবং বিস্মিত হয়েছে। জানা গিয়েছে, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডক্টর মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায়ের মুক্ত লাইব্রেরিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ২০০ টি বই সাধারণের জন্য রাখা থাকবে। সবথেকে বড় কথা পুজোর পরেও চালু থাকবে মমতাময় লাইব্রেরি।
এই গ্রন্থাগারের সূচনার পর মীনাক্ষী অন্যান্য ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের একই রকম ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বইয়ের লাইব্রেরি করার আহ্বান জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কাউন্সিলর জানিয়েছেন, ‘২০২৬ আমাদের সংযোজন মমতাময় লাইব্রেরী। ছোটদের বই, নতুন প্রজন্মের বই, ভালবাসার বই, প্রতিবাদের বই সব রয়েছে। মমতাময় লাইব্রেরী একটা আবেগ। সারা বছর এই লাইব্রেরী আপনাদের জন্য খোলা থাকল। আমরা আশা করব সব জায়গায় এই লাইব্রেরী তৈরি হোক।’