লাদাখে আচমকা তুষার ধসে মৃত ৭ পর্যটক! আহত অনেকে, দেখুন ভয়াবহ সেই ভিডিও

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ঘুরতে গিয়ে প্রবল দুর্যোগ নেমে এল পর্যটকদের ওপর। লাদাখে আচমকা তুষার ধসের (Ladakh Avalanche) কারণে মৃত্যু হল বহু পর্যটকের। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। জানা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের লাদাখের জোজিলায় শ্রীনগর-লেহ মহাসড়কে একটি বিশাল তুষারধসে অন্ততপক্ষে ৭ জন নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছেন বলে খবর। একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

লাদাখে তুষার ধসে চাপা পড়ে মৃত অনেকে

ভয়াবহ তুষার ধসের জেরে বেশ কয়েকটি যানবাহন তুষারধসের নিচে চাপা পড়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি বন্ধ করে দিয়েছে। ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, জোজিলা পাসের ‘জিরো পয়েন্টে’ একটি যাত্রীবাহী গাড়ি তুষারধসের কবলে পড়লে অন্তত ৭ জন নিহত ও আরও অনেকে আহত হন। ওই কর্মকর্তা জানান, আকস্মিক এই বিশাল তুষারধসের কবলে পড়ে একজন নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আহতদের চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ সোনমার্গ ও দ্রাস জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন এবং এসডিআরএফ-কে নিয়ে একটি ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। গতকাল শুক্রবার একটি বিশাল তুষারধসের পর প্রায় ১৫টি যানবাহন আংশিকভাবে বা সম্পূর্ণরূপে বরফের নিচে চাপা পড়ে। কেউ যাতে আটকা না পড়ে তা নিশ্চিত করতে, রাস্তা পরিষ্কার করার জন্য বিপুল সংখ্যক মানুষ ও যন্ত্রপাতি কাজ শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং একটি পোস্টে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

কী বলছে পুলিশ?

দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, বিকেলে দ্রাসের জোজি লা পাসে ক্যাপ্টেন-টার্ন মহাসড়কে তুষারধসটি যানবাহনগুলোকে আঘাত হানে। দ্রাসের এসডিএম বিশাল আত্রি বলেছেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পুরুষ, মহিলা এবং শিশুও রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিছু যানবাহন সম্পূর্ণরূপে বরফের নিচে চাপা পড়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গের হিডেন জেম, গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন ছবির মতো সুন্দর এই গ্রাম থেকে

এসডিএম আত্রি আরও জানান যে, মহাসড়কের উভয় পাশে উদ্ধার অভিযান চলছে। তিনি বলেন, কাশ্মীরের সোনমার্গ এবং লাদাখের দ্রাস দিক থেকে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। তুষারধসের কারণে মহাসড়কের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ১৫টি যানবাহন এখনও বরফের নিচে চাপা পড়ে আছে। তিনি বলেন, “হঠাৎ ভারী তুষারপাতের কারণে আমরা তুষারধসের পেছনের দিকে পৌঁছাতে পারিনি।”

Leave a Comment