শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি, বারাণসী হাইস্পিড রেল করিডর! বাজেটে বাংলার জন্য একাধিক ঘোষণা

Budget 2026

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হল কেন্দ্রীয় বাজেট (Budget 2026)। আর এই বাজেট শুরু হতে না হতেই বিরাট ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এবার হাইস্পিড রেল করিডোর পাচ্ছে বাংলাও। এরইসঙ্গে বাংলার সঙ্গে দেশের বেশ কিছু শহর জুড়তে চলেছে রেলপথে। এদিন অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন ৭টি হাইস্পিড রেল অবকাঠামো করিডরের। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন কোন শহর বা রাজ্যের কপাল খুলতে চলেছে? তাহলে চলুন জেনে নেবেন।

৭টি হাইস্পিড রেল করিডোরের ঘোষণা নির্মলা সীতারমণের

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ২০২৬ সালের বাজেটে, পরিবেশবান্ধব এবং দ্রুত যাত্রী পরিবহনের জন্য সাতটি উচ্চ-গতির রেল করিডোর তৈরির প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এই করিডোরগুলি প্রধান নগর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলিকে সংযুক্ত করবে, ভ্রমণের সময় অনেকটাই হ্রাস করবে এবং আঞ্চলিক উন্নয়নকে সমর্থন করবে।

আরও পড়ুনঃ সোনার দামে বিরাট ধস, রুপোও কমল ৫০,০০০ টাকা! আজকের রেট

প্রস্তাবিত রুটগুলি হল মুম্বাই-পুনে, পুনে-হায়দ্রাবাদ, হায়দ্রাবাদ-বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ-চেন্নাই, চেন্নাই-বেঙ্গালুরু, দিল্লি-বারাণসী এবং বারাণসী-শিলিগুড়ি। এই করিডোরগুলি ভারতের আর্থিক, প্রযুক্তিগত, উৎপাদনশীল এবং উদীয়মান শহরগুলিকে দ্রুত এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহনের মাধ্যমে সংযুক্ত করবে। অর্থাৎ কপাল খুলতে চলেছে বাংলারও। এখানেই শেষ নয়, ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জন্য বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকার ডানকুনি থেকে পশ্চিমে সুরাট পর্যন্ত একটি নতুন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর নির্মাণের প্রস্তাব করেছে। পরিবেশবান্ধব পণ্য পরিবহনকে উৎসাহিত করে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২০টি নতুন জাতীয় জলপথ চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী

এই বাজেট থেকে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী সকলেই আগ্রহী। বিশেষ করে, মুদ্রাস্ফীতি থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা রয়েছে। ডাল, তেল, চাল, শাকসবজি, ওষুধ, বিদ্যুৎ ও জলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের উপর কর কমানো হতে পারে। এর ফলে পারিবারিক খরচ কিছুটা কমবে এবং সাধারণ মানুষের কিছু অর্থ সাশ্রয় হবে। সরকার আগের বাজেটগুলিতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে এবং এবারও একই আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্তভাবে, কর ব্যবস্থা সরলীকরণের উপর জোর দেওয়া হতে পারে, কর দাখিল সহজ এবং ঝামেলামুক্ত করা যেতে পারে।

Leave a Comment