সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই আরও আধুনিক হচ্ছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ট্রেন দেরির সমস্যা একদিকে যেমন রয়েছে তেমনই কিন্তু অন্যদিকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত স্লিপার, তেজস এক্সপ্রেসের মতো কিছু প্রিমিয়াম এবং হাইস্পিড ট্রেনও রয়েছে। এখন তো আবার বুলেট ট্রেন করিডর (Bullet Train) তৈরী হচ্ছে। ভারতের প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন মুম্বাই-আহমেদাবাদের মধ্যে চলবে। কাজ অনেকটাই হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এখন প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কবে থেকে বুলে ট্রেনের টিকিট কাটা যাবে? ভাড়াই বা কত হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
বুলেট ট্রেনের বুকিং কবে থেকে শুরু হবে?
বুলেট ট্রেনের কাজ কিছুটা হলেও ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে খবর। বুলেট ট্রেনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে করিডোরের ৯৭ কিলোমিটার সুরাট-ভাপি অংশে বলে খবর। ৫০৮ কিলোমিটারের পুরো ট্র্যাকটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।আহমেদাবাদ-মুম্বাই হাই স্পিড রেল করিডোর প্রকল্পটি এনএইচআরএসসিএল দ্বারা তৈরি করা হচ্ছে। সরকার জানিয়েছে যে ২৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে সক্ষম B28 ভারত-নির্মিত বুলেট ট্রেন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন অন্যান্য উন্নত ট্রেন সেটের কাজ অব্যাহত রয়েছে। যদিও ট্রেনের বুকিং প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
বুলেট ট্রেনের রুট
এই বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি ভারতের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ। এর সমাপ্তি ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে এবং দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যদিও ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং বিলম্ব উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি সম্পন্ন করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রকল্পটি উচ্চ-গতির রেলের ক্ষেত্রে ভারতকে একটি নতুন পরিচয় দেবে। রেলমন্ত্রী বলেন, বুলেট ট্রেন করিডোরটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। তিনি বলেন, প্রথম কার্যকরী অংশটি হবে সুরাট-বিলিমোরা রুট, তারপরে ভাপি-সুরাট। এরপর, ভাপি-আহমেদাবাদ অংশটি খোলা হবে, তারপরে থানে-আহমেদাবাদ রুটে পরিষেবা চালু হবে।
আরও পড়ুনঃ হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা
তিনি বলেন, চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরো মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডোরটি চালু হবে।508-কিমি মুম্বাই-আমেদাবাদ হাই স্পিড রেল (MAHSR) প্রকল্পে ১২টি স্টেশন থাকবে (মুম্বাই, থানে, ভিরার, বোইসার, ভাপি, বিলিমোরা, সুরাট, ভরুচ, ভাদোদরা, আনন্দ, আহমেদাবাদ এবং সবরমতি)। একবার চালু হয়ে গেলে, এটি মুম্বাই এবং আহমেদাবাদের মধ্যে ভ্রমণের সময় মাত্র ২ ঘন্টা ৭ মিনিট (১২৭ মিনিট) কমিয়ে আনবে।