হবে বিশ্বমানের ক্যাম্পাস, জগন্নাথ সরকারের উদ্যোগে গতি পেল IIM কলকাতার ‘ভিশন ২০৩৬’

Jagannath Sarkar

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের অন্যতম শীর্ষ ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট কলকাতার পরিকাঠামগত ও একাডেমিক সম্প্রসারণে এবার বিরাট অগ্রগতির খবর দিল কেন্দ্র সরকার। রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের (Jagannath Sarkar) আবেদনে সাড়া দিয়ে এবার কেন্দ্র সরকার এগিয়ে এসেছে বলেই রিপোর্ট। এরই প্রেক্ষিতে বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে আইআইএম কলকাতার উচ্চাকাঙ্ক্ষী সেই মাস্টার প্ল্যান ভিশন ২০৩৬। ঠিক কী কী পরিকল্পনা নেওয়া হল? জানুন এই প্রতিবেদনে।

কী এই ভিশন ২০৩৬?

প্রথমেই জানিয়ে রাখি, আইআইএম কলকাতার এই মাস্টার প্ল্যান মূলত দীর্ঘমেয়াদী সম্প্রসারণ আর আধুনিকীকরণের প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য হল শিক্ষার্থী ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো, উন্নত অ্যাকাডেমিক অবকাঠামো গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিবেশ তৈরি এবং গ্লোবাল ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা প্রতিযোগিতা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

সরকারি সূত্র মারফৎ খবর, গভর্নিং বোর্ড ইতিমধ্যেই ২০৩৬ এর এই মাস্টার প্ল্যান অনুমোদন করেছে। আর প্রকল্প ব্যবস্থাপনার পরামর্শদাতা হিসেবে সেন্ট্রাল পাবলিক ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টকে নিযুক্ত করা হয়েছে। এমনকি অবকাঠামো নির্মাণের কেন্দ্রীয় তদারকিও নিশ্চিত করা হচ্ছে।

নতুন হোস্টেল নির্মাণ

জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের আবাসনের উপর এবার বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এমনকি এর জন্য একটি বৃহৎ হোস্টেল ভবন নির্মাণের টেন্ডার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রায় ৯২৬ জন শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তবে নির্মাণ শুরুর আগে কলকাতা পুরসভার আইনগত ছাড়পত্রের অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, মাস্টার প্ল্যানের প্রথম ধাপে একাধিক আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। যার মধ্যে হোস্টেল ভবন থেকে শুরু করে নতুন একাডেমিক ব্লক নির্মাণ, আধুনিক ক্লাসরুম, কমপ্লেক্স স্টুডিও, অ্যাপার্টমেন্ট, ফুড কোর্ট এবং অবকাঠামগত উন্নয়ন করা হবে। আর এই বৃহৎ সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫১৩ কোটি টাকা। এক কথায়, কেন্দ্রীয় উচ্চ শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে এবার আইআইএম কলকাতা যুক্ত হচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন: স্নাতক পাসেই নিয়োগ! UPSC-তে প্রায় হাজার শূন্যপদে চাকরি

জগন্নাথ সরকারের উদ্যোগে একাধিক রেললাইন

প্রসঙ্গত, শুধুমাত্র আইআইএম কলকাতা নয়, বরং সাংসদ জগন্নাথ সরকারের ডাকে সাড়া দিয়ে নদীয়া জেলায় একাধিক রেল সম্প্রসারণেরও অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। জানা গিয়েছে, সাংসদ হওয়ার পর রানাঘাট-দত্তফুলিয়া রেল লাইনের জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। আর সেই অনুমোদনে ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকার সাড়া দিয়েছে। যার কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে। পাশাপাশি কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথের দাবিও করেছেন তিনি। সেই পরিষেবাও চালু হতে পারে বলে খবর। এছাড়াও শান্তিপুর-নবদ্বীপ ঘাট লাইনে ট্রেন চালুর দাবি জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ।

Leave a Comment