১৬ বছরেও হয়নি নিয়োগ! নবান্ন অভিযানের ডাক গ্রুপ ডি প্রার্থীদের

Nabanna Abhijan

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন শুরু হতে হাতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা মাস, তাই ভোট প্রচারের প্রস্তুতিতে যাতে কোন ত্রুটি না থাকে তার জন্য এখনই ময়দানে নেমে পড়েছে শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধী দলগুলি। এমতাবস্থায় নিয়োগের দাবি নিয়ে ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠল চাকরিপ্রার্থীরা। জানা গিয়েছে, দ্রুত নিয়োগের দাবি নিয়ে রাজ্যের গ্রুপ-ডি বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থী ঐক্যমঞ্চ এবং ২০০৯-এর দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীর ঐক্যমঞ্চের তরফে যৌথ ভাবে আগামী ১৫ জানুয়ারি নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দেওয়া হয়েছে।

নবান্ন অভিযানের ডাক চাকরীপ্রার্থীদের

জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত হয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার চাকরীপ্রার্থীরা। তার পর থেকে নানা আইনি জটিলতার কারণে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। তাঁদের দাবি, ২০০৯-এ প্রাথমিকে ৪,৭৯২ মতো শূন্য আসন ছিল। দু’টি ভাগে ১,৮৭০টি পদে নিয়োগ করা হয়। বাদবাকি পদে গত দু’বছর ধরে কোন‌ও নিয়োগ হয়নি। তাই এবার সেই প্রতিবাদে সকলে গর্জে উঠতে চলেছে প্রার্থীরা। নিয়োগের দাবিতে, রাজ্যের গ্রুপ-ডি বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থী ঐক্যমঞ্চ এবং ২০০৯-এর দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীর ঐক্যমঞ্চের তরফে যৌথ ভাবে আগামী ১৫ জানুয়ারি নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের উপর রেগে লাল সৌদি আরব! মুনিরদের সাথে দেখা করলেন না যুবরাজ সলমান

দ্রুত নিয়োগের দাবি নিয়ে এই আন্দোলন!

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীর ঐক্যমঞ্চের তরফে দেবাশিস বিশ্বাস জানিয়েছেন যে, “২০০৯ সালের পর থেকে এখনও পর্যন্ত নানা আইনি জটিলতার কারণ দেখিয়ে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। সরকারের তরফে আমরা কোনও রকম সরকারি সহযোগিতাও পাচ্ছি না। অন্য জেলা হলেও আমরা দক্ষিণ ২৪ পরগনা বঞ্চিত। তাই শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনের নামতে বাধ্য হচ্ছি।” আগামী ১৫ জানুয়ারি দুপুর বারোটায় হাওড়া স্টেশন থেকে শুরু হবে এই মিছিল।

আরও পড়ুন: কদিন পরেই চলবে হাওড়া থেকে, আগেই দেখে নিন বন্দে ভারত স্লিপারের অন্দরসজ্জা

রাজ্য গ্রুপ-ডি ঐক্যমঞ্চের আহ্বায়ক আশিস খামরুই নবান্ন অভিযানে সায় দিয়েছেন। তিনি বলেন, “২০১৭ সালে গ্রুপ-ডি পরীক্ষা হলেও মেধাতালিকা ছিল অস্বচ্ছ। সেই কারণেই অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের এখনও নিয়োগ করা হয়নি। আমরা দীর্ঘদিন ধরে ধর্মতলায় ধর্নায় বসে আছি। কোনো ইতিবাচক সাড়া না পেয়ে তাই এ বার নবান্ন অভিযানে নামছি। আমাদের একটাই দাবি, মেধাতালিকা সংশোধন ও শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ।” অর্থাৎ সব মিলিয়ে দুই সংগঠনের দাবি রাজ্য সরকারের জন্য আর দীর্ঘ প্রতীক্ষা করে সময় নষ্ট নয়, এবার জবাব দিতে হবে প্রশাসনের কাছ থেকে। এদিকে নবান্ন অভিযান নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

Leave a Comment