=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

CAA নিয়ে ঘোষণার পিছনে ছিল অন্য কারোর হাত! প্রকাশ্যে সেই তথ্য তুলে ধরলেন শুভেন্দু

Suvendu Adhikari

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সম্প্রতি দেশ জুড়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে এক বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্র। যেখানে আগে, সিএএ আইন অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে ভারতে প্রবেশকারী অমুসলিম ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্বের আবেদন করার সুযোগ ছিল। সেখানে এখন সময়সীমা আরও ১০ বছর বাড়ানো হয়েছে। যা নিয়ে তুমুল উচ্ছ্বাস গেরুয়া শিবিরে। আর এই খুশির আবহেই এবার CAA নিয়ে প্রশংসার ধ্বনি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রকাশ্যে আনলেন এক নয়া তথ্য।

CAA নিয়ে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ কেন্দ্রের

গত ১ সেপ্টেম্বর, সোমবার, CAA সংক্রান্ত একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যেখানে জানানো হয়েছে ২০২৫ সালের আগে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে যে সমস্ত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি, খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী মানুষ পড়শি দেশ বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে এসেছেন, তাঁরা পাসপোর্ট, ভিসা এবং অন্যান্য নথি ছাড়াই ভারতে থাকতে পারবেন। শুধু তাই নয়, ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানানোর কাট-অফ তারিখ ১০ বছর বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আর এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই ধন্যবাদ বার্তায় উপচে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। এমনকি এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্রের “ঐতিহাসিক পদক্ষেপ” বলে উল্লেখ করেছেন বিজেপি সাংসদ ড. সুকান্ত মজুমদার। তবে এবার এই সময়সীমা বাড়ানোর আসল কারণ তুলে ধরলেন বঙ্গ বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

নয়া সত্য প্রকাশ শুভেন্দুর

আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, শুভেন্দু অধিকারী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে CAA বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের এই নয়া সিদ্ধান্তে আপ্লুত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ পোস্ট করেছিলেন। তবে শুধু অমিত শাহ নয়, অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের মাননীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী শান্তনু ঠাকুরকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কারণ বিজেপি নেতার পোস্ট সূত্রে জানা গিয়েছে যে, মতুয়া মহাসংঘ CAA সংক্রান্ত আইনের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য প্রথম তারাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে দরখাস্ত লিখেছিলেন। আর সেই দরখাস্ত মানবিকতার সঙ্গে বিবেচনা করেই নাকি এই ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর তাই নিয়ে মতুয়া শিবিরে জয়জয়কার অবস্থা।

আরও পড়ুনঃ রাজ্য-রাজনীতিতে শোকের ছায়া! প্রয়াত ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি নেতাদের একাংশ। এই বিষয়ে বিজেপি সাংসদ ড. সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন , “সিএএ-তে কোনও পরিবর্তন হয়নি, শুধু আবেদন করার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ফলে শরণার্থীদের আর নির্বাসিত হওয়ার ভয় থাকবে না।” একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন, “CAA-তে আবেদনের জন্য ভারতে প্রবেশের সময়সীমার তারিখ ২০১৪-এর ৩১ ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে ২০২৪-এর ৩১ ডিসেম্বর করল কেন্দ্রীয় সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজিকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”

Leave a Comment