=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বন্দে ভারত, রাজধানী নয়, এটিই ভারতের সবচেয়ে দ্রুতগামী ট্রেন! এসির ভাড়া মাত্র ১৫০ টাকা

India’s fastest train

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেলের প্রতি ভালোবাসা বাড়ছে যাত্রীদের। বর্তমানে সে কম দূরত্বের হোক বা দূরপাল্লার, ট্রেনে যাতায়াত করা মাখনের মতো মসৃণ হয়ে গিয়েছে। দেশে চলছে বন্দে ভারত, তেজস এক্সপ্রেসের মতো কিছু সেমি হাইস্পিড এবং প্রিমিয়াম ট্রেন। এছাড়াও তালিকায় রয়েছে বুলেট ট্রেন, হাইড্রোজেন ট্রেন, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে আপনি কি জানেন যে ভারতের সবথেকে হাইস্পিড ট্রেন (India’s fastest train) কোনটি? বন্দে ভারত নয় কিন্তু। তাহলে নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন ট্রেন? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই লেখাটির ওপর।

বন্দে ভারত নয়, এটিই হল ভারতের সবথেকে হাইস্পিড ট্রেন

আসলে দিল্লি এবং মিরাটের মধ্যে চলাচলের জন্য প্রস্তুত সেমি হাইস্পিড ট্রেন ‘নমো ভারত’। এই ট্রেনের গতি সম্পর্কে জানলে আপনিও হয়তো চমকে যাবেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদী শীঘ্রই ট্রেনটির উদ্বোধন করবেন। ট্রেনের করিডোর সম্পর্কে, ক্যাপিটাল রিজিওন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (NCRTC)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শলভ গোয়েল বলেছেন যে নমো ভারত করিডোরটি দেশের প্রথম সেমি হাইস্পিড গতির করিডোর। নমো ভারত ট্রেনটি দিল্লি (সরাই কালে খান) থেকে মিরাট (মোদীপুরম) পর্যন্ত চলবে।

করিডোরের ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশের কাজ চলছে। বাকি ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশের কাজ শেষ হতে চলেছে। স্টেশনগুলির মধ্যে ৬-৭ কিলোমিটার দূরত্ব রাখা হয়েছে। ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, নমো ভারত ট্রেন হল দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মীরাট রিজিওনাল র‍্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম (RRTS) এর আওতাধীন একটি রেল প্রকল্প।

ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিমি

ট্রেনটির গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার। একই সাথে, এর কার্যক্ষম গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। মিরাট সাউথ এবং মোদীপুরমের মধ্যে মেট্রো ট্র্যাক তৈরি করা হয়েছে, যা প্রায় ৮২.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। করিডোরে দুহাই এবং মোদীপুরমে ২২টি মেট্রো স্টেশন এবং ২টি ডিপো তৈরি করা হয়েছে। সারাই কালে খান থেকে নিউ অশোক নগর এবং মিরাট সাউথ থেকে মোদীপুরম পর্যন্ত করিডোরের নির্মাণ কাজ চলছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরো করিডোরটি চালু হওয়ার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে এই রুটের একটি ভিডিও NCRTC-এর তরফে শেয়ার করা হয়েছে।

ভাড়া কত হবে?

বর্তমানে দিল্লি থেকে সড়কপথে মিরাট পৌঁছাতে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় লাগে, কিন্তু নমো ভারত ট্রেন চালু হওয়ার ফলে এই যাত্রা ৫৫ মিনিটে কমে যাবে। দিল্লি, নয়ডা, গাজিয়াবাদ এবং গুরুগ্রামে যাতায়াতকারীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। সর্বনিম্ন ভাড়া হবে ২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া হবে ১৫০ টাকার মধ্যে।

ট্রেনটির অন্যান্য বৈশিষ্ট

ট্রেনটিতে একটি প্রিমিয়াম, একটি স্ট্যান্ডার্ড ক্লাস কোচ এবং একটি কোচ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। দিল্লি থেকে মিরাট যাওয়ার সময় প্রিমিয়াম কোচটি প্রথম কোচ এবং মিরাট থেকে দিল্লি আসার সময় শেষ কোচ হবে। ট্রেনটিতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, ওয়াই-ফাই, গতিশীল রুট ম্যাপ, সিসিটিভি, হুইলচেয়ার এবং স্ট্রেচারের জন্য জায়গা, এমার্জেন্সি বাটন, রিক্লাইনিং সিট, প্লাগ ইন, ইউএসবি চার্জিং পয়েন্ট, প্যাডেড সিট, ম্যাগাজিন হোল্ডার, কোট স্ট্যান্ড, লাগেজ স্টোরেজ সুবিধা, ডিসপ্লে স্ক্রিন, প্রিমিয়াম কোচে রিফ্রেশমেন্টের জন্য ভেন্ডিং মেশিন থাকবে। এয়ার কন্ডিশনিং নমো ভারত ট্রেনকে বিশেষ এবং বিলাসবহুল করে তোলে।

Leave a Comment