=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বহু যুদ্ধজয়ের কারিগর, ভারতের প্রথম সুপারসনিক ফাইটার জেট MIG-21 এর অবসর

India First Supersonic Jet MIG 21 completed his journey

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দিনটা 27 সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। তিথি হিসেবে আজ চতুর্থী। আর সেই উৎসবের দিনেই অবসরের খাতায় নাম লেখালো ভারতীয় বায়ুসেনার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যুদ্ধবিমান, মিগ-21 (India First Supersonic Jet)। না বললেই নয়, এটি ভারতের প্রথম সুপারসনিক যুদ্ধবিমান, যা 1965, 1971 এবং 1999 সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে ভয় ধরিয়েছিল। দীর্ঘ 62 বছর ভারতীয় বায়ুসেনাকে সঙ্গ দিয়ে অবশেষে নিজের কর্মজীবন শেষ করছে ভারতের বহু যুদ্ধজয়ের সাক্ষী থাকা যুদ্ধবিমানটি।

বিখ্যাত মিগ 21 যুদ্ধবিমান সম্পর্কে কিছু কথা

1950 এর দশকে ভারতীয় বায়ুসেনার এই যুদ্ধবিমান তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। যদিও যুদ্ধবিমানটি তৈরি হওয়ার 5 বছরের মধ্যে অর্থাৎ 1955 সালে এটি প্রথম আকাশে ওড়ানো হয়েছিল। বলা বাহুল্য, এই যুদ্ধবিমানটি শব্দের থেকেও উচ্চ গতিতে উড়তে পারে। এর গতি ম্যাক 2। অর্থাৎ শব্দের দুই গুণ।

ভারতীয় বায়ুসেনার এই বিখ্যাত যুদ্ধবিমান নিজের কর্মজীবনে বহু শত্রুর যুদ্ধবিমানকে তাড়া করে আটকাতে সক্ষম হয়েছে। যুদ্ধবিমানটির বীরত্বের কাহিনী বলতে গেলে কয়েক হাজার পৃষ্ঠাও কম হবে। অনেকেই হয়তো জানেন, 1963 সালে প্রথমবারের মতো মিগ 21 যুদ্ধবিমান কিনেছিল ভারত। কারণটা অবশ্য ছিল চিন। 1962 সালের চিনের যুদ্ধের পর বিমান বাহিনীকে শক্তিশালী করতে এই বিশেষ মিগ 21 বিমান কিনেছিল ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

বলে রাখা ভাল, 1966 থেকে 1980 সাল পর্যন্ত ভারত 872টি মিগ 21 যুদ্ধবিমান কিনেছিল। যদিও পরবর্তীকালে নাসিকের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বহু কাঠখড় পুড়িয়ে যুদ্ধবিমান তৈরির কাজ শুরু করে। বলে রাখি, সদ্য অবসর নেওয়া ভারতের মিগ 21 যুদ্ধবিমানটি 1971 সালের যুদ্ধে পশ্চিম ফ্রন্টের উত্তর আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিল। সেবার চারটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করে মিগ 21। এছাড়াও ওই একই সময়ে দুটি এফ 104 ধ্বংসের খবরও নিশ্চিত করে ভারতীয় বায়ুসেনা।

1963 সাল থেকে যাত্রা শুরু করা ভারতের যুদ্ধবিমানটি বহুবার গভীর রাতে পাকিস্তানের বুকে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। তাছাড়াও অমৃতসর থেকে উড়ে এসে ঢাকার গভর্নর হাউসেও 500 কেজি বোমা ফেলার ঘটনাও ঘটিয়েছে এই মিগ 21। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের অবসরপ্রাপ্ত মিগ 21 যুদ্ধবিমানের প্রায় সমবয়সী মিগ 21 ফাইটার জেটগুলি ভিয়েতনাম যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং ভারত-পাক যুদ্ধে একেবারে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে।

অবশ্যই পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে আগামীকালই পথচলা শুরু BSNL 4G-র

প্রসঙ্গত, টানা ছয় দশক ভারতীয় বায়ুসেনাকে সঙ্গ দেওয়ার পর শুক্রবার ভারতের আকাশে শেষবারের মতো চক্কর কেটে বিরাট অধ্যায় শেষ করল প্রথম সুপারসনিক ফাইটার জেট মিগ 21। ভারতীয় বিমান শক্তির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ইতিহাসে বিরাট ছাপ রেখেছে এই যুদ্ধবিমান। তাই তার শেষ যাত্রা দেশের সামরিক ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

Leave a Comment