=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

লগ্নজিতা, পল্লব কীর্তনিয়ার পর মধুবন্তী! ‘ধার্মিক গান শুনব না’ বলে মঞ্চে উঠে শাসানি শিল্পীকে

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভরা মঞ্চে সংগীত শিল্পীদের অপমান যেন এখন প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথমে সংগীত শিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তীর শো-তে হেনস্থা। তারপর লগ্নজিতার পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাতিল হয় পল্লব কীর্তনিয়ার শো। আর এবার গায়িকা মধুবন্তী মুখার্জীকে (Madhubanti Mukherjee) ভরা মঞ্চে অপমানিত হতে হল লোকসংগীত গাওয়ার জন্য। হ্যাঁ, সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি এ নিয়ে সরব হয়েছেন, এবং শাসকদলকে কাঠগড়ায় তুলেছেন নেটিজেনরা।

ঠিক কী হয়েছিল গায়িকার সাথে?

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পোস্ট করে শিল্পী মধুবন্তী মুখার্জী জানিয়েছেন, গত পরশুদিন নদিয়ার মাজদিয়ায় আমার একটি লোকসংগীতের অনুষ্ঠান ছিল। যিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি জানিয়েছিলেন, ওখানে গিয়ে আমাকে লোকসংগীত গাইতে হবে। সেই সূত্রেই আমি এবং আমার ব্যান্ড ওখানে পৌঁছেছিলাম। তবে সেখানকার পরিবেশ, কালচার এবং কমিটির সদস্যরা খুবই ভদ্র এবং আমার গান গাইতে কোনওরকম অসুবিধা হয়নি। তবে তার মধ্যে আমি শাহ আব্দুল করিমের ‘তোমরা কুঞ্জ সাজাও’ গানটি গাই। গানটিতে আমার দর্শক বন্ধুরা আমাকে সর্বত্রভাবে সহযোগিতা করেছিল। তবে গানটি শেষের পর্যায়ে আসলে হঠাৎ করে এক ভদ্রলোক স্টেজে উঠে আমার থেকে মাইক্রোফোনটা ছিনিয়ে নিয়ে বলে যে, এই জাতপাতের গান আমরা শুনবো না। আমি জানিনা উনি কমিটির কেউ হবে কিনা।

উনি স্পষ্ট বলেন, আমরা কোনও ধর্মের গান শুনবো না। আমি তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতাম। কিন্তু নিইনি কারণ, ওখানকার কমিটি মেম্বাররা খুবই ভাল ছিল। যিনি আমার সঙ্গে কন্টাক্ট করেছিলেন, তিনি সোজা মঞ্চে উঠে তার হাত থেকে মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নিয়ে বলেন, যার গান শুনতে ইচ্ছা হবে না সে চলে যেতে পারেন। শিল্পী তাঁর মনের মতোই গান পরিবেশন করবে। আমি জানি না সেকুলার গান কী এবং কেন তা গাইতে বলা হচ্ছে। এরকমটা হতে চললে শিল্পীদের সম্মান কোথায় যাবে? আমাদের কি স্বাধীনতা থাকবে না?

আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তদের ঘাম ঝড়িয়ে দাম বাড়ল সোনা, রুপোর! আজকের রেট

অপমানিত হতে হয়েছিল লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে

প্রসঙ্গত, মেদিনীপুরের ভগবানপুরে লগ্নজিতা চক্রবর্তীর একটি শো চলছিল। তবে সেখানে তিনি ‘জাগো মা’ গান গাওয়াতেই কমিটির এক সদস্য মঞ্চে উঠে তাঁকে সেকুলার গান গাইতে বলে। এমনকি কটুক্তি করতেও পিছপা হয়নি। সবথেকে বড় ব্যাপার, তাঁকে ধরে মারার হুমকি দেয় ওই ভদ্রলোক। পুলিশ ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে। এদিকে লগ্নজিতার পাশে দাঁড়ানোর জন্য গায়ক পল্লব কীর্তনীয়ার একটি শো বাতিল হয়ে যায়। এহেন ঘটনার জন্য সবাই শাসক দলকেই দায়ী করছে। আর এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন গায়িকা মধুবন্তী মুখার্জী।

1 thought on “লগ্নজিতা, পল্লব কীর্তনিয়ার পর মধুবন্তী! ‘ধার্মিক গান শুনব না’ বলে মঞ্চে উঠে শাসানি শিল্পীকে”

  1. না সম্মান থাকবে না যতদিন পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার থাকবে ততদিন হিন্দুদের কোন সম্মান থাকবে না পশ্চিমবঙ্গ কে ওরা ইসলামিক স্টেট বানাতে চায় এবং তারা যাতে তাদের ওই ইচ্ছা পূরণ করতে পারে তার জন্য মমতা ব্যানার্জি সবদিক দিয়ে উনাদেরকে সাপোর্ট করে চলেছেন তাই বাংলার হিন্দুদের যে জেগে উঠতে হবে এবং 2026 এ সরকার পরিবর্তন করতে হবে এবং সেটা যদি সম্পূর্ণ না হয় আগামী দিনে হিন্দুরা রাস্তায় চলতে পারবে না হিন্দু মা-বোনেদের ইজ্জত থাকবে না এখন বাঙালি হিন্দুদের সজাগ হতে হবে।

    Reply

Leave a Comment