প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দেখতে দেখতে ৭১ এ পা মমতার (Mamata Banerjee)! আর এই বিশেষ দিনে তাঁকে প্রতি বছরের মতো এবারও শুভেচ্ছাবার্তা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা প্রার্থনা করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মোদী। এদিকে জন্মদিনের দিনই গঙ্গাসাগর মেলার পরিদর্শনে যাচ্ছেন মমতা। শিলান্যাস করতে চলেছেন গঙ্গাসাগর সেতুর।
শুভেচ্ছাবার্তা মোদীর
সরকারী নথি অনুযায়ী, ১৯৫৫ সালের ৫ জানুয়ারি জন্মেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই হিসেবে ২০২৬ সাল অর্থাৎ এবছর তিনি পা রাখলেন ৭১ এর মণিকোঠায়। এই দিনটি ঘিরে প্রতি বছর দলের নেতা-কর্মীদের উৎসাহ থাকে তুঙ্গে। শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যায় কালীঘাটের বাড়িতে। এবারেও সেই শুভেচ্ছা থেকে বঞ্চিত হননি তিনি। আর এই বিশেষ দিনে তাঁকে প্রতি বছরের মতো এবারও শুভেচ্ছাবার্তা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার, সকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডলে এনিয়ে পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা দিদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।’
Birthday wishes to West Bengal Chief Minister Mamata Didi. I pray for her good health and long life.@MamataOfficial
— Narendra Modi (@narendramodi) January 5, 2026
দুর্গাষ্টমীতে জন্ম মমতার
শত রাজনৈতিক বিরোধিতা সত্ত্বেও এবং মতের একাধিক অমিল থাকা সত্ত্বেও সৌজন্য অটুট রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাইতো জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে ভুললেন না প্রধানমন্ত্রী। যদিও মমতা তাঁর ‘একান্তে’ বইতে বলেছিলেন, ৫ জানুয়ারি নয়, মায়ের কথা অনুযায়ী, দুর্গাষ্টমীতে জন্মেছিলেন মমতা। তিনদিন আগে থেকে নাকি শুরু হয়েছিল একটানা প্রবল বৃষ্টি। কিন্তু সে চোখ খোলার পরই নাকি বৃষ্টি থেমে যায়।” যদিও এই মন্তব্য নিয়ে বিরোধীরা কম কটাক্ষ করেনি।
আরও পড়ুন: আত্মহত্যার চেষ্টা দেবলীনা নন্দীর, কী হয়েছিল গায়িকার? প্রকাশ্যে এল তথ্য
প্রসঙ্গত, জন্মদিনের দিনই গঙ্গাসাগরে মেলার প্রস্তুতি পরিদর্শনে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গিয়েই এই প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। পাশাপাশি মুড়িগঙ্গা নদীর উপর বহু চর্চিত গঙ্গাসাগর সেতুরও শিলান্যাস করবেন তিনি। দুপুর আড়াইটে নাগাদ মুড়িগঙ্গা নদীর ওপর গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণ কর্মকাণ্ডের শুভসূচনা করবেন। গোটা দিন জুড়ে তাঁর ভুরি ভুরি কাজের চাপ। এরপর কর্মসূচি শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী ভারত সেবাশ্রম সংঘে যেতে পারেন সেখানে কপিল মুনি মন্দিরে পুজোও দেবেন। আগামীকাল তিনি কলকাতায় ফিরতে চলেছেন।