প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: শীতের পারদ ক্রমেই যেন নামছে, কনকনে কাঁপছে গোটা বাংলা। যদিও হাওয়া অফিসের নিরিখে এইমুহূর্তে কলকাতায় শীতের পারদ (Weather Today) কিছুটা কমলেও জেলাগুলিতে তা মালুম পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ সেখানকার ছবিটা একেবারেই উল্টো। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা, রাতের তাপমাত্রা নামছে এক ডিগ্রি করে। আশ্চর্যের বিষয় হল শীতের লড়াইয়ে দার্জিলিঙের পরেই নজর কেড়েছে পশ্চিমের জেলা বীরভূম।
নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে বাংলায়?
জানা গিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর যে নিম্নচাপটি ছিল, তা এইমুহুর্তে ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এবং ঘণ্টায় ১৩ কিলোমিটার বেগে তা এগিয়েছে উত্তর-পশ্চিম দিকে। আজই শ্রীলঙ্কার উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। তবে এর সরাসরি কোনও প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ার উপর পড়ছে না। অবাধে প্রবেশ করবে উত্তুরে হাওয়া।
আরও পড়ুনঃ বেসরকারি কর্মীদের ন্যূনতম পেনশন হতে পারে ৫০০০ টাকা! বড় সিদ্ধান্তের পথে EPFO
দার্জিলিংয়ের পরেই রয়েছে বীরভূম!
শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা রয়েছে ১০ ডিগ্রির নীচে। বীরভূমের শ্রীনিকেতনে শুক্রবার ৫.৬ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছিল পারদ। এদিকে উত্তরবঙ্গেও দার্জিলিং ছাড়া আর কোথাও পারদ এত নীচে নামেনি। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে শীতের লড়াইয়ে দার্জিলিংয়ের পরেই রয়েছে বীরভূম। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী দু’দিনে তাপমাত্রায় বড়সড় বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কিন্তু পরবর্তী দু’দিনে পারদ ১ থেকে ২ ডিগ্রি বাড়তে পারে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে আগামী কয়েক দিনে ঠান্ডা কিছুটা কম থাকতে চলেছে।
আরও পড়ুন: ‘মমতার শাসনে নিরাপদ নন রাজ্যপালও!’ আনন্দ বোসকে বোমায় উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি
কুয়াশার সতর্কতা একাধিক জেলায়
শুক্রবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৮ ডিগ্রি কম। আগের দিন শহরের সর্বনিম্ন ছিল ১১.৬ ডিগ্রি। অর্থাৎ, পারদ সামান্য ঊর্ধ্বমুখী আজ। যদিও আগামী কয়েকদিন শীত কতটা কমবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গেও আগামী পাঁচ দিন রাতের তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকার পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সর্বত্র শুকনো আবহাওয়া থাকলেও কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত