সহেলি মিত্র, কলকাতা: আর মাত্র কয়েকটা দিন, ব্যস তারপরেই লটারি লাগতে পারে EPFO সদস্যদের। আসলে বেসরকারি খাতে কর্মরত লক্ষ লক্ষ কর্মচারীর জন্য একটি দুর্দান্ত সুখবর রয়েছে। আপনি যদি চাকরিজীবী হন এবং আপনার বেতন (Salary) ১৫,০০০ টাকারও বেশি হয়, তাহলে জানিয়ে রাখি, EPF মজুরি সীমা বৃদ্ধির দাবি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক একটি নির্দেশ লক্ষ লক্ষ কর্মচারীর আশা জাগিয়ে তুলেছে যারা গত ১১ বছর ধরে এই নিয়ম পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
PF এর বেতনসীমা বাড়তে পারে ৩০,০০০ টাকা অবধি?
EPFO সম্পর্কে এই খবরটি আপনার পকেট এবং আপনার ভবিষ্যতের সাথে প্রাসঙ্গিক। আপনি যদি কোনও বেসরকারি সংগঠনে কাজ করে থাকেন, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনাকে খুশি করে দেবে। আসলে সরকার কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংস্থার অধীনে বেতন সীমা বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তমানে, পিএফ অবদানের জন্য সর্বোচ্চ বেতন সীমা ১৫,০০০ টাকা, যা ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে, এখন এই সীমা ২৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কালো মেঘ, শীতের মাঝেই বৃষ্টি? আজকের আবহাওয়া
এর অর্থ হল, উচ্চ বেতনভুক্ত কর্মচারীরাও পিএফ-এর আওতায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পাবেন। কিছু রিপোর্ট অনুসারে, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি, বেতন কাঠামোর পরিবর্তন এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। বাস্তবায়িত হলে, এই পরিবর্তন লক্ষ লক্ষ কর্মরত মানুষের সেভিংস, পেনশন এবং ইন হ্যান্ড বেতনের উপর প্রভাব ফেলবে।
বেতন সীমা বৃদ্ধি করলে কী লাভ হবে?
যদি পিএফ বেতনের সীমা ২৫,০০০ বা ৩০,০০০ টাকা করা হয়, তাহলে সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে অবসরকালীন সঞ্চয়ের উপর। বর্তমানে, ১৫,০০০ টাকার বেশি আয়কারী কর্মচারীদের পিএফ অবদান সীমিত পরিমাণের ভিত্তিতে গণনা করা হয়। নতুন সীমা কার্যকর হলে, পিএফ-এ একটি উচ্চতর মূল বেতন যোগ করা হবে, যার ফলে মাসিক জমার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে অবসরকালীন কর্পাসের উপর। এর ফলে পেনশনের পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে পারে।