বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: 23 জানুয়ারি গোটা দেশজুড়ে পালিত হয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন। কাকতালীয়ভাবে এ বছর ওই একই দিনে পড়েছে বাঙালির সরস্বতী পুজো। আর ঠিক সেই দিনটিকেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার দিন (JEE Exam Date) হিসেবে ধার্য করেছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। তাতে ঘোর আপত্তি রাজ্যের। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই NTA কে চিঠি দিয়েছে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর। 23 জানুয়ারি সরস্বতী পুজোর দিন পরীক্ষা নিয়ে কিছুটা হলেও দোনোমোনো করছেন বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের অনেকেই।
NTA কী জানাল?
প্রথমত, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিন ন্যাশনাল হলিডে না হলেও স্কুল কলেজ গুলিতে ধুমধাম করে পালন করা হয় এই দিনটিকে। তাছাড়াও, সরস্বতী পুজো মানে বাঙালির আবেগ। এ দিন রাজ্যের প্রায় সব স্কুলেই পূর্ণদিবস ছুটি থাকে। আসলে এদিন পঠন-পাঠন বন্ধ রেখে বাগদেবীর আরাধনায় মেতে ওঠেন পড়ুয়া থেকে শিক্ষক সকলে। আর এই দিনে জয়েন্ট এনট্রান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ফেললে সমস্যা তো হবেই। মূলত এমন বক্তব্যকে সামনে রেখেই রাজ্যের তরফের চিঠি গিয়েছে NTA র কাছে। তবে প্রতিবেদনটি লেখার আগে পর্যন্ত সেই চিঠির জবাব দেয়নি ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।
অবশ্যই পড়ুন: পারল না ভারত, দ্বিতীয় ওয়ানডে জিতে বদলা নিল নিউজিল্যান্ড
থেমে নেই রাজনৈতিক তরজাও
সরস্বতী পুজোর দিন কেন পরীক্ষা ফেলা হবে এমন প্রশ্ন তুলেই ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিকে নিশানা করছেন বঙ্গের পড়ুয়া থেকে শুরু করে শিক্ষকরা। আর এই আবহে নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের জন্মদিন এবং সরস্বতী পুজোর সময়ে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা নিয়ে জন্ম নিয়েছে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত। বিশেষ করে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে পরীক্ষা রাখায় ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ একেবারে কটাক্ষের সুরে বলেছেন, নেতাজিকে এরা সম্মান করে না। তাদের কর্তারাই আবার বাংলায় এসে বলতে থাকে এখানে সরস্বতী পুজো হয় না। তৃণমূল নেতার বক্তব্যে পাল্টা সুর চড়িয়েছে বিজেপিও…