=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“ঋণের জন্য দোরে দোরে ঘুরি.. মাথা হেঁট হয়” স্বীকার করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী!

Pakistan PM confirms that Pakistan lost respect due to foreign debt

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আজ নয়, পাকিস্তানের অর্থনীতি হামাগুড়ি দিচ্ছে বহুদিন হল। সে কথা জানতে বাকি নেই বিশ্ববাসীর। যদিও নিজে মুখে নিজেদের অপমানের কথা এতদিন স্বীকার করেননি পশ্চিমের দেশের কেউই। তবে এবার পাকিস্তানের দৈন্য দশা নিজেই প্রকাশ্যে আনলেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ (Pakistan PM)। সাম্প্রতিক এক ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করে নিলেন, পাকিস্তান পুরোপুরি বৈদেশিক ঋণ সহ নানান আর্থিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল। দুয়ারে দুয়ারে অর্থ চাওয়ার কারণেই পাকিস্তানের সম্মান আন্তর্জাতিক মঞ্চে অনেকটাই কমেছে।

ঋণ নিতে গিয়ে মাথা হেট হয়েছে পাকিস্তানের…

অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পাকিস্তানের অবস্থা বেহাল! শুক্রবার ইসলামাবাদে শীর্ষ পাকিস্তানি রপ্তানিকারকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার সময় পাক প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করে নিলেন, দেশের অর্থনীতির বেহাল দশার কারণেই একাধিক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে তার সরকারকে। এদিন পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অবস্থা অনেকটাই ভালো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন শরীফ। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “এই মুহূর্তে পরিস্থিতি যা তাতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। তবে আমাদের বন্ধু সহ অন্যান্য দেশগুলির ঋণ এর মধ্যে রয়েছে। কিন্তু তা হলেও যখন কেউ ঋণ নিতে চায়, স্বাভাবিকভাবেই তার মাথা নত হয়।”

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খুব স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিলেন, আর্থিক সমস্যার কারণে অন্যান্য দেশের কাছ থেকে ঋণ নিতে গিয়ে মাথা হেট হয়েছে পাকিস্তানের। শেহবাজের বক্তব্য, যখন কোনও দেশ আর্থিক সাহায্য চাইতে যায় তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা আত্মসমর্পণ করে নেয়। এতে মাথা নত হয় তাদেরই। যেমনটা হয়েছে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে। এদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এ কথাও জানান, তিনি এবং পাক সেনাপ্রধান তথা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরে ঘুরে একপ্রকার ভিক্ষা করে বেরিয়েছেন। এতে তারা সত্যিই লজ্জিত।

অবশ্যই পড়ুন: পাকিস্তানের ১২টি শহরে বিরাট হামলা BLA র, প্রাণ গেল একাধিক সেনা সহ পুলিশ কর্মীর

শেহবাজের সংযোজন, “আমি এবং ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বিশ্বজুড়ে ভিক্ষা করার জন্য ঘুরে বেড়াই, এতে আমরা সত্যিই লজ্জিত হই। বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে ঋণ নেওয়াটা আমাদের কাছে একটি বিরাট বোঝা।” এদিন পাক প্রধানমন্ত্রী একপ্রকার স্বীকার করেই নিয়েছিলেন পাকিস্থানে এখনও হাইব্রিড শাসন চলছে। যেখানে দেশের সেনাবাহিনী দেশ পরিচালনায় প্রধান ভূমিকা পালন করছে। সব মিলিয়ে বল, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিজেই পুরোপুরি স্বীকার করে নিলেন পাকিস্তানের দারিদ্রতা চরমে। তাই অর্থনীতিকে বাঁচাতে দোরে দোরে ঘুরে বেড়াতে হয় অর্থের জন্য।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার বা IMF, বিশ্ব ব্যাঙ্ক, চিন এবং সৌদি আরব থেকে নেওয়া বিপুল ঋণের বোঝা বইছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় 52.366 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্লেষক মহলের দাবি, চিন সহ অন্যান্য পরিচিতদের কাছ থেকে যে ঋণ পাকিস্তান নিয়েছে তা শোধ করতে কাল ঘাম ছুটে যাবে তাদের। একটা সময় গিয়ে বিপুল ঋণের কারণে পাকিস্তানের সম্পত্তিও জব্দ করতে পারে ড্রাগন।

Leave a Comment