বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দুই ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল ভারত (India Vs New Zealand)। ফলে বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাকি দুই ম্যাচ হয়ে পড়েছিল নিয়মরক্ষার। যার প্রথমটিতে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছিল ভারত। বাকি ছিল পঞ্চম টি-টোয়েন্টি। যা নিয়মরক্ষার পাশাপাশি ঘরের মাঠে কিউইদের বিপক্ষে ভারতের কাছে মানরক্ষার ম্যাচও ছিল। তাতে শুরুর দিকে ধাক্কা খেলেও শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ভালভাবেই মান বাঁচাতে পেরেছেন সূর্যরা।
জয় দিয়েই বিশ্বকাপ শুরু করতে চলছে ভারত
শনিবার, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় ফিরতে গিয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারতীয় দল। সেই মতোই ওপেনিং করতে নেমে অভিষেক শর্মা শক্ত হাতে ব্যাট ধরলেও আজ ফের ঝড়ের গতিতে উইকেট যায় সঞ্জু স্যামসনের। সিরিজের শেষ ম্যাচে সঞ্জুর ব্যাট থেকে ভারতের সংগ্রহ মাত্র 6। এরপর বড় রান করার লক্ষ্য থাকলেও 30 রানের বেশি করতে পারেননি অভিষেক। দুই ওপেনার দ্রুত আউট হওয়ার পর খেলা দেখালেন ইশান কিষাণ।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাট করতে নেমেই লাল চোখ দেখালেন টিম ইন্ডিয়ায় সদ্য জায়গা পাওয়া তরুণ ক্রিকেটার। এদিন প্রতিপক্ষের বোলারদের পিটিয়ে একেবারে ছাতু করে 43 বলে 103 রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন ইশান। অধিনায়ক সূর্যের ব্যাট থেকেও 63 রানের গুরুত্বপূর্ণ যোগদান পায় ভারত। শনিবার ব্যাট হাতে 42 রান পান হার্দিক পান্ডিয়াও। সেই সূত্রেই সকলের সঙ্ঘবদ্ধ লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডকে 272 রানের লক্ষ্য দিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া।
অবশ্যই পড়ুন: T20 বিশ্বকাপের আগে এবার পাকিস্তানকে ঘোর অপমান করল অস্ট্রেলিয়া..!
ভারতের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। এদিন ওপেনিং করতে নেমে 5 রানে আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন টিম শেইফার্ট। এরপর ফিন অ্যালেনের ব্যাটে ঝড় দেখতে হয় টিম ইন্ডিয়াকে। একার হাতেই 80 রান করে ফেলেন এই তারকা ক্রিকেটার। তবে শেষ পর্যন্ত অক্ষর প্যাটেলের হাতে উইকেট দিতে হয় তাঁকে। এরপর থেকে ঝড়ের গতিতে উইকেট হারাতে থাকে নিউজিল্যান্ড। 35 বলে যখন 106 রান প্রয়োজন, স্ট্রাইকে ড্যারিল মিচেল। ভারতকে হারানো কঠিন হলেও নিউজিল্যান্ড ভক্তদের ভরসা ছিল মিচেলের উপর। তবে বিশ্বকাপের প্রাক্কালে সেই ভরসা রাখতে পারলেন না তিনি। মিচেল আউট হয়ে মাঠ ছাড়তেই ক্রমাগত উইকেট খুঁইয়ে ডুবল নিউজিল্যান্ড। যদিও অনেকেই মনে করছেন, ইশানের এক সেঞ্চুরিতেই ভারতের কাছে 46 রানের বিরাট ব্যবধানে পরাস্ত হয়েছে কিউই বাহিনী।