বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অন্তর্বর্তী বাজেটে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের সুখবর শুনিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। বাড়ানো হয়েছে রাজ্য সরকারের স্বপ্নের প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডারের মাসিক ভাতাও। বাড়ানো হয়েছে আশা কর্মীদের বেতনও। বেতন বেড়েছে সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও। এছাড়াও বেশ কয়েকটি সাম্মানিকের পরিমানও বাড়িয়েছে রাজ্য। আর সেসব শুনেই রাজ্য সরকারের বাজেটকে দিশাহীন বলে দাগিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari On West Bengal Budget)। তাঁর মতে, এই বাজেটে বাংলার বেকার যুবক-যুবতীদের কথা ভাবা হয়নি। শুধু ভাতা বেড়েছে।
লক্ষীর ভান্ডার 5000 করা হচ্ছে না কেন জানতে চাইলেন শুভেন্দু
বৃহস্পতিবার, রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেই বাজেটেই রাজ্যের মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের মাসিক ভাতা 500 টাকা করে বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য সরকার। এর ফলে, সাধারণ পরিবারের মহিলারা 1000 টাকার বদলে এবার থেকে 1500 টাকা করে পাবেন। এছাড়াও তপশিলি জাতি এবং উপজাতিভুক্ত মহিলারা এবার থেকে 1200 টাকার বদলে 1700 টাকা করে পাবেন। এবার সেই লক্ষ্মীর ভান্ডারকে কার্যত হাতিয়ার করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
অবশ্যই পড়ুন: ভোটের আগে মাস্টারপ্ল্যান মমতার! ১০০ দিনের কাজ নিয়ে বড় চমক বাজেটে
বিজেপি নেতার কথায়, “এবারের বাজেটে মিথ্যাচার এবং প্রতারণা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, এবারের বাজেটে অস্থায়ী কর্মীদের জন্য কোনও প্রতিশ্রুতি দেয়নি সরকার। রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য কোনও ঘোষণা নেই। স্থায়ী সরকারি কর্মীদের জন্য কিছুই বলা হয়নি। লক্ষীর ভান্ডার ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর ছাড়া আর কিছুই নেই। এটা একটা দিশাহীন বাজেট।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু খোলাখুলি বলেন, “গোয়ায় ভোটের সময় তৃণমূল তো দাবি করেছিল তারা জিতলে মা-বোনেদের 5 হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। কিন্তু এই রাজ্যের মহিলাদের মাসিক ভাতা কেন 500 টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে? পরের মাসে অবশ্য 11 হাজার কোটি টাকা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। এরা DA মামলায় হেরেছে। এই সরকারের সর্বনাশ হবে। তারা সেটা নিজেরাও জানে।”