বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অনূর্ধ্ব 19 একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে ইংল্যান্ডকে পেয়ে একেবারে ধবল ধোলাই করলেন 14 বছরের বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। বিহারের এই খুদে তারকার ব্যাটিং দেখে চক্ষু ছানাবড়া ইংরেজদের। বৈভব আবারও প্রমাণ করে দিলেন তিনি ছোট প্যাকেট, বড় ধামাকা! এদিন ইংলিশ বাহিনীকে ক্ষমতা বুঝিয়ে সেঞ্চুরি করেন ভারতীয় কিশোর। আর সেই সূত্রেই তৈরি হল নতুন বিশ্বরেকর্ড।
ইংরেজদের পিটিয়ে ছাতু করে নতুন বিশ্বরেকর্ড বৈভবের!
শুক্রবার, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতেই প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারত। যদিও অ্যারন জর্জের উইকেট পড়ায় শুরুটা খুব একটা ভাল হয়নি টিম ইন্ডিয়ার। তবে বৈভবের ব্যাটে ঝড় উঠতেই একপ্রকার দিশা হারিয়ে ফেলেন ইংরেজ বোলাররা। এদিন ম্যাচের একেবারে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের বোলারদের চার ছয়ে নিজের ক্ষমতা দেখাচ্ছিলেন বিহারের ভূমিপুত্র। মাত্র 14 বছর বয়সী ক্রিকেটারের এমন দাপট দেখে কার্যত হা হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড।
এদিন, ভারতীয় তারকার ব্যাট থেকে বাউন্ডারি ওভার বাউন্ডারির বন্যা দেখেছে প্রতিপক্ষ। বলাই বাহুল্য, আজ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালের মঞ্চে 80 বলে 175 রান করেছেন সূর্যবংশী। 15টি চার এবং সময় সংখ্যক ছয় মেরে নিজের ইনিংস একেবারে গুছিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। এক কথায়, ইংরেজদের পিটিয়ে ছাতু করে বৈভব আবারও প্রমাণ করলেন তিনিই ভারতের ভবিষ্যৎ। এদিন মাত্র 55 বলেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বিহারের ক্রিকেটার। যা অনূর্ধ্ব 19 বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম শতরান।
অবশ্যই পড়ুন: চোট পেয়ে T20 বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন হর্ষিত রানা, সমস্যায় টিম ইন্ডিয়া
না বললেই নয়, জাপানের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার উইল মালাজাক চলতি বিশ্বকাপে 51 বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেটা এই মুহূর্তে অনূর্ধ্ব 19 বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি। কয়েকটি মাত্র বলের জন্য সেই রেকর্ড ভাঙতে পারেননি বৈভব। তবে তা না হলেও এক বড় বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তিনি। বলে রাখি, অনূর্ধ্ব 19 বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ 175 রানের ইনিংস খেলেছেন সূর্যবংশী। অনূর্ধ্ব বিশ্বকাপের ফাইনালে যা সর্বকালের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। এর মধ্যে দিয়ে উন্মুক্ত চাঁদের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙেছেন বৈভব। 2021 সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনালে 111 রানের অপরাজিতা ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। সেটাই ছিল এতদিন অনূর্ধ্ব 19 বিশ্বকাপের ফাইনালের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়লেন 14 বছরের কিশোর।