একবার ভাবুন তো, যদি বলি আপনার অথবা আপনার বাবা-মায়ের প্রত্যেকের মাথায় রয়েছে ৬৬,০০০ টাকা করে ঋণ – বিশ্বাস করবেন?
হয়তো না। কিন্তু এটাই সত্যি!
সম্প্রতি RBI প্রকাশ করেছে এমনই এক তথ্য, যা শুনলে মাথায় হাত পড়বে আপনারও! ঋণ নিতে নিতে চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বাংলা (West Bengal Debt Ratio)! অবস্থা এমন হয়েছে, যে আয়ের প্রায় হাফ টাকাই চলে যাচ্ছে ঋণের সুদ মেটাতে! গত ১৪ বছরে ঋণের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৬ গুণ। শুধু তাই নয়, আর্থিক অবস্থার নিরিখে ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, এমনকি বিহারের থেকেও অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে বাংলা!
কিন্তু, হঠাৎ কী কারণে আজ এমন বেহাল অবস্থা হল বাংলার? কোথায় ব্যবহার করা হচ্ছে এত এত টাকার ঋণ? ঋণের অঙ্কের পরিমাণটাই বা কত? জানলে অবাক হবেন, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতার উন্নয়নের ঠ্যালায় ঋণের জাল এতটাই ছড়িয়েছে, যা মেটাতে লাগবে প্রায় কয়েক দশক! তবে, কি এবার ধীরে ধীরে দেউলিয়ার পথে এগোচ্ছে বাংলা?
ঋণের বোঝায় কুপোকাত বাংলা! | West Bengal Debt Ratio
২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬। রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে প্রকাশ করা হয় ২০২৫-২৬-এর State Finance Report। আর সেই রিপোর্ট থেকেই উঠে আসছে এমন তথ্য যা আমার-আপনার কল্পনার বাইরে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সমস্ত রাজ্যের মোট ঘাটতির প্রায় ৭৬ শতাংশই মেটানো হচ্ছে বাজার থেকে ঋণ নিয়ে। অর্থাৎ, সোজা ভাষায় বললে আপনি আপনার মাসিক খরচা চালাচ্ছেন ৭৬ শতাংশই ঋণ নিয়ে। আর এই একই ছবি দেখা যাচ্ছে দেশের প্রায় অধিকাংশ রাজ্যে।
এবার আসি পশ্চিমবঙ্গের কথায়। ২০১১ সালে যে বাংলার ঋণ ছিল ১ লক্ষ ৯০ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাংলায় গত ১৪ বছরে ঋণের বোঝা বেড়েছে প্রায় ৩ গুণেরও বেশি। আর অঙ্কটা দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৫৮ হাজার কোটি টাকায়।
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ঋণ নেওয়ার দিক থেকে সারা দেশের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ (৬ লক্ষ ৫৮ হাজার কোটি টাকা)। তৃতীয় স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র (৭ লক্ষ ২২ হাজার কোটি টাকা), দ্বিতীয় স্থানে উত্তর প্রদেশ (৭ লক্ষ ৬৯ হাজার কোটি টাকা), আর প্রথম স্থানে তামিলনাড়ু (৮ লক্ষ ৩৪ হাজার কোটি টাকা)।
এখন আপনার মনে হতে পারেই, ঋণের পরিমাণের দিক থেকে উত্তর প্রদেশ তো অনেকটাই এগিয়ে। কিন্তু, জনসংখ্যার বিচারে এই পরিমাণটা পশ্চিমবঙ্গেরও অর্ধেক। সহজ ভাষায় বললে, যেখানে পশ্চিমবঙ্গের মাথা পিছু ঋণ ৬৬,০০০ টাকা, সেখানে উত্তর প্রদেশের মাথা পিছু ঋণ মাত্র ৩১,০০০ টাকা।
তবে, এবার আপনাদের জানাবো এমন একটি তথ্য, যা চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে প্রতিটি মানুষকে। রিপোর্ট বলছে, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় সবচেয়ে বেশি সুদ পরিশোধ করছে আমাদের রাজ্য! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন।
পশ্চিমবঙ্গ মোট যে রাজস্ব আদায় করে তার ৪২%-ই চলে যাচ্ছে ঋণের টাকা মেটাতে। রাজস্ব অর্থাৎ সাধারণ মানুষের থেকে ট্যাক্সের মাধ্যমে এবং ট্যাক্সের বাইরে রাজ্য সরকার যা আয় করে। বর্তমানে আমাদের রাজ্যের বার্ষিক রাজস্ব ১ লক্ষ ৯ হাজার কোটি টাকা। আর তার মধ্যে সুদ মেটাতেই চলে যাচ্ছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা।
আর এই বিরাট সুদ মেটানোর চক্করে, টাকার ঘাটতি দেখা যাচ্ছে রাজ্যের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাটের মতো প্রয়োজনীয় তহবিলে।
অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার অনেক কম!
ঠিক ২৯শে জানুয়ারি, সংসদে পেশ হয় আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট ২০২৪–২৫। আর সেই রিপোর্ট পেশ হতেই উঠে আসে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির আসল ছবিটা।
এই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের নেট স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট অর্থাৎ NSDP বেড়েছে ৯.৮৬ শতাংশ। যার ফলে রাজ্যের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ১৬.৩২ লক্ষ কোটি টাকা। যা ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ছিল ৮.৯৪ শতাংশ।
এখন আপনারা অনেকেই ভাবছেন, NSDP আবার কি? সহজভাবে বললে, ধরুন আমাদের রাজ্য বিভিন্ন উৎস থেকে যা আয় করে অর্থাৎ মোট রাজস্ব, তার থেকে যেটা বেঁচে থাকে সেটাই হল NSDP। ধরুন আমাদের রাজ্যের যদি ১০০ টাকা আয় হয়, আর তার থেকে খরচ হয় ৮০ টাকা, তাহলে যে ২০ টাকা বাঁচল সেটাই রাজ্যের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন। আর রাজ্যের NSDP হল ২০ শতাংশ। আর বর্তমানে এই NSDP-র পরিমাণ মাত্র ৯.৮৬ শতাংশ, অর্থাৎ ১০০ টাকা আয় হলে, বাঁচছে ৯ টাকা ৮৬ পয়সা।
কিন্তু অন্যদিকে, একই সময়ে তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশের NSDP ছিল যথাক্রমে ১৫.৭৬%, ১২.৬৪%, ১২.৭৯%, এবং ১২.২৮%। শুধু তাই নয়, যদি আমরা পড়শি রাজ্য, অর্থাৎ বিহার, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের কথা বলি, তাদেরও NSDP আমাদের থেকে অনেকটাই বেশি, যথাক্রমে ১৩.০৭%, ১৩.০৪%, এবং ১০.৮৮%।
অর্থাৎ, কেন্দ্রের ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের NSDP হয়তো বেড়েছে কিছুটা, তবে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে বাংলা।
জানলে আরও অবাক হবেন, ২০২১–২২ সালে অর্থাৎ করোনার পর বাংলার NSDP হার ছিল ১৭.৫৫ শতাংশ! আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন, তখন আমাদের রাজ্যের NSDP ছিল ৯.৪ শতাংশ। অর্থাৎ, মাঝের ১৪টা বছর পেরিয়ে গিয়েছে, কিন্তু NSDP রয়ে গিয়েছে সেই একই জায়গায়।
অর্থাৎ, একদিকে বিশ্বব্যাঙ্ক এবং আইএমএফ বলছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু, দেশের এই ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে ক্রমশ পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ।
কিন্তু, এবার জানবো এত মোটা অঙ্কের ঋণ ঠিক কোথায় ব্যবহার করা হচ্ছে?
কেন এত পরিমাণ ঋণ নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ? এই উত্তর পাওয়ার আগে আমাদের জানতে হবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন খাতে কত টাকা খরচ হয়। পশ্চিমবঙ্গের মূল খরচ হয় রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও পেনশন দিতে, এবং সরকারি বিভিন্ন কাঠামোকে উন্নত করার জন্য।
এছাড়াও, সরকারের অতিরিক্ত খরচ হয় ভর্তুকি নির্ভর বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে, কেন্দ্রের কোনও টাকা বাকী থাকলে তা মেটাতে, এবং পুরানো ঋণ মেটাতে।
কিন্তু, আপনি যদি দেখেন আমাদের রাজ্যে না বাড়ে সরকারি কর্মীদের নিয়োগ, হলেও সেক্ষেত্রে দেখা যায় দুর্নীতি। সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো ঠেকেছে তলানিতে। বাড়ে না সরকারি কর্মীদের ডিএ-ও। সুতরাং এই সমস্ত খাতে সরকার ঠিক কতটা খরচ করে তা বলা একটু মুশকিল।
তবে, উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের নামে যে খরচা করা হচ্ছে সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে রয়েছে! আর সেই রিপোর্ট জানলেই সবকিছু জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে আপনার কাছে।
প্রথমত, কেবল ভর্তুকির পেছনেই খরচ হচ্ছে প্রায় ৩০ শতাংশ টাকা!
- লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য রাজ্য সরকার ২০২৪-২৫ সালে খরচ করেছে ১৯,৩৮৫ কোটি টাকা।
- ওই একই সময়ে, মাদ্রাসার শিক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে আনুমানিক প্রায় ৫৬০০ কোটি টাকা!
- স্বাস্থ্য সাথীর জন্য প্রতি বছর আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে, কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য সরকারের খরচ হয়েছিল ১৫৫০ কোটি টাকা।
- ওই একই সময়ে রুপশ্রী প্রকল্পের জন্য সরকারের খরচ হয়েছিল ৫২৯ কোটি টাকা।
- সবুজ সাথী প্রকল্পের জন্য আনুমানিক খরচ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।
আপনারা হয়তো ভাববেন, এই সব প্রকল্প তো একটি রাজ্যের জন্য খুবই ভালো। কিন্তু, এর জন্য সমস্যা তৈরি হয় একাধিক। কারণ এই সমস্ত প্রকল্পের জন্য প্রায় ২৮,৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে সরকার ঠিকই, কিন্তু নতুন আয় বা চাকরি তৈরি হয় না। তথ্য বলছে, আমাদের রাজ্যে মোট ১৩০টি ফায়ার স্টেশন রয়েছে, যেখানে দরকার প্রায় ২০০০টি। এরকম আরও একাধিক ঘাটতি রয়েছে আমাদের রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে। এই নিয়ে আমাদের ইতিমধ্যেই একটি ভিডিও রয়েছে, আপনি আই বাটনে ক্লিক করে সেটা দেখতে পারেন। অর্থাৎ, এই সমস্ত প্রকল্পের মাধ্যমে রাজনৈতিক লাভ হয়তো হয়, কিন্তু, মানুষের লাভ আর অর্থনৈতিক লাভ ধীরে ধীরে কমছে।
দ্বীতিয়ত, শিল্প কমছে, তাই আয় কমছে!
এছাড়া, পশ্চিমবঙ্গে নতুন কোনও বড় শিল্প নেই। রিপোর্ট বলছে, ২০১২-১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৬৩৯৩টি কোম্পানি নথিভুক্ত হয়েছিল। কিন্তু, ২০২২-২৩ সালে, সেই সংখ্যাটা ৭.৮ শতাংশ কমে ৫৮৯৯-তে নেমেছে। অর্থাৎ অন্যান্য রাজ্যে দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে স্টার্টআপ, ছোট-খাটো কোম্পানির পরিমাণ, সেখানে আমাদের রাজ্যে ঘটনাটা উল্টো। যার ফলে কর্মসংস্থান সীমিত।
তৃতীয়ত, বেকারত্ব বাড়ছে দ্বিগুণ গতিতে!
স্বাধীন গবেষণা সংস্থা CMIE অনুসারে, ২০২০ সালের এপ্রিল-মাসে পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্বের হার ছিল ১৭.৪ %। ২০২৪ সালে দাঁড়িয়ে রাজ্যে শিক্ষিত বেকারত্বের হার প্রায় ১৪ শতাংশ। যা দেশের গড় হারের প্রায় দ্বিগুণ।
চতুর্থত, পুরানো সরকারের ঋণ মেটাতে খাচ্ছে হিমশিম!
পুরানো সরকারের ঋণও ছিল বাঁধিয়ে রাখার মতো। ২০১০-১১ সালে, অর্থাৎ বামফ্রন্ট সরকারের শেষ বছরে পশ্চিমবঙ্গের ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা। এছাড়াও, সেই সময়ে ৭২টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার মধ্যে ৩২টি সংস্থা লাভ করেছিল সাড়ে পাঁচশো কোটি টাকা আর বাকি ৪০টির ক্ষতি ছিল প্রায় ৮১২ কোটি টাকা।
পঞ্চমত, সরকারি সংস্থায় লোকসানের পর লোকসান
এমনকি রাজ্য পরিবহণ সংস্থা, রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থা, চিনি/পাট/ক্ষুদ্র শিল্প কর্পোরেশনের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় বছরের পর বছর ধরে লোকসান চললেও সরকার টাকা ঢেলে চলেছে। না হচ্ছে বেসরকারিকরণ, না হচ্ছে বন্ধ।
ষষ্ঠত, ঋণ মেটাতে নেওয়া হচ্ছে নতুন ঋণ
২০১১ সালে তৃণমূল যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখন বাংলার মাথায় রণ ছিল ২ লক্ষ কোটি টাকা। আর সেই থেকে একদিকে পুরানো ঋণ ও তার সুদ মেটাতে এবং অন্যদিকে ভর্তুকি নির্ভর প্রকল্প চালাতে যে ঋণ নিয়েছে সরকার, সেই সবকিছুই মেটাতে নতুন করে বারবার নেওয়া হচ্ছে ঋণ।
অর্থাৎ, একদিকে আয় কম, অন্যদিকে স্থায়ী খরচ বেশি, একদিকে শিল্প দুর্বল, তো অন্যদিকে কেন্দ্রীয় টানাপোড়েন, যার ফলে ঋণের জালে ক্রমাগত জড়িয়ে পড়ছে পশ্চিমবঙ্গ।
এবার জানবো এই লোন মেটানো কি আদৌ সম্ভব? নাকি দেউলিয়া হবে রাজ্য?
যখন কেউ কোনও ঋণ মেটাতে নতুন ঋণ নেয়, তখনই সে এগিয়ে যায় দেউলিয়া হওয়ার দিকে। আপাতদৃষ্টিতে, পশ্চিমবঙ্গের সেই অবস্থা মনে হলেও, এখনও সেই অবস্থা হয়নি। কারণ, অর্থনীতির নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনও রাজ্যের ঋণ-GSDP অনুপাত ৩০ শতাংশে থাকে তবে সেটিকে নিরাপদ সীমার কাছে ধরা হয়, যদি ৩৫ শতাংশে থাকে তবে সেটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয় এবং ৪০ শতাংশের ওপরে গেলে বিপদসংকেত হিসাবে ধরা হয়। পশ্চিমবঙ্গের ঋণ-GSDP অনুপাত বর্তমান ৩৫%–এর আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। তাই পশ্চিমবঙ্গের আপাতত দেউলিয়া হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। কিন্তু, এখনও যদি সরকার এই দিকে মন না দেয়, তাহলে ধীরে ধীরে সেই পথে এগোবে বাংলা।
এবার আপনাদের কি মনে হয় – ভবিষ্যতে কি দেউলিয়ে হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ? এই বিরাট পরিমাণ ঋণের জন্য কাকে দায়ী বলে মনে করেন আপনি? জানাতে ভুলবেন না কমেন্ট করে।