=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

অনেক হয়েছে! এবার ইরানের হয়ে আমেরিকার সাথে লড়বে চিন?

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে শান্তি চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে। আর তারপরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) একেবারে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছেন, আমেরিকা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। আর এমন ঘোষণার পরই মুখ থুবড়ে পড়েছে শেয়ার বাজার। বাড়ছে তেলের দাম। এক কথায় সব ক্ষেত্রেই যোগ হয়েছে বাড়তি অস্থিরতা। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আরও বড় হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। তিনি বললেন, ইরানকে অস্ত্র সরবরাহকারী যে কোনও দেশের উপর 50 শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। কম বেশি সকলেই বুঝতে পারছেন, ট্রাম্প এমন বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে সরাসরি না হলেও ঘুর পথে চিনকে নিশানা করেছেন। আর এমন বক্তব্যের পরই বিবৃতি দিয়েছে ড্রাগনও (China On Iran-US War)।

পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাল চিন

CNN এর রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিজের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বুঝিয়েছেন ইরানকে সব রকম ভাবে সাহায্য করার পাশাপাশি অস্ত্র সরবরাহ করছে চিন। আর তার পরই চিনের পক্ষ থেকে এলো বড় বিবৃতি। ড্রাগনের দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যাডমিরাল ডং জুন একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, “আমরা বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি আমরা। আমাদের জাহাজগুলি নিয়মিত হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করছে। ইরানের সাথে আমাদের বাণিজ্যিক এবং জ্বালানি চুক্তি রয়েছে। আমরা সেগুলো মেনে চলব এবং আশা করব অন্যরাও আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় হস্তক্ষেপ করবে না।”

এদিন চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কথাও স্মরণ করিয়ে দেন, এই মুহূর্তে ইরান যে জলপথ অর্থাৎ হরমুজ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে সেটা চিনের জন্য উন্মুক্ত। ড্রাগনের তরফে এমন বিবৃতি এমনই এমনই আসেনি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাঁদের দাবি, আমেরিকার বাড়াবাড়ি দেখে এবার পরোক্ষভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করেছে চিন। ড্রাগন বোঝাতে চেয়েছে, তারা যেহেতু অন্যদের বিষয়ে নাক গলাচ্ছে না তাই আমেরিকাও যেন তাদের সাথে লড়তে না আসে। অন্যথায় বড় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। চিনের বিবৃতির পর অনেকেই ধরে নিয়েছেন, পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে হয়তো ইরানের হয়ে আমেরিকার সাথে লড়তে পারে চিন। যদিও এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি আসেনি।

অবশ্যই পড়ুন: শেয়ার বাজারে বিরাট ধস, ক্ষতি হল ৮ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি

চিন ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার

ইউএস-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিন এই মুহূর্তে ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। তেহরানের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তার কাছ থেকে যাবতীয় প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিশেষ করে তেল আমদানি করে চিন। চিনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, 2025 সালে ইরানের মোট দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ 9.96 বিলিয়ন ডলার। তবে চিন এই দেশ থেকে 31.2 বিলিয়ন ডলারের অঘোষিত অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে যা সেই হিসেবের তালিকায় নেই। এক কথায় ইরানের মোট বাণিজ্যের 75 শতাংশেরও বেশি চিনের হাত ধরে। তাছাড়াও চিন ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। একই সাথে এই দুই দেশের মধ্যে একাধিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি রয়েছে।

Leave a Comment