=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ক্ষতিগ্রস্ত কিডনি, চলছে ডায়ালিসিস! অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থা ওড়িশার কলেজের ছাত্রীর

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উঠে এল যৌন নিগ্রহের চিত্র! শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন না করলে ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি অধ্যাপকের! লজ্জায় এবং চরম অপমানে নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে দিল ওড়িশার এক কলেজ পড়ুয়া। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভুবনেশ্বর এইমসে ভর্তি সেই ছাত্রী। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, তন্ত্র পুড়ে গিয়েছে। এমনকি কিডনিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাই সেই কারণে তরুণীর ডায়ালিসিস চলছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

ঘটনাটি কী?

ঘটনাসূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়িশার বালেশ্বরের ফকির মোহন কলেজের বিএড-এর (B.Ed) এক পড়ুয়াকে বিভাগীয় প্রধান শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য জোর করেছিল। এরপর ওই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে সেই পড়ুয়া কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। শেষে লজ্জায় এবং অপমানে গত শনিবার ক্যাম্পাসে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন নির্যাতিতা। গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।

কী বলছেন চিকিৎসকরা?

এদিকে নির্যাতিতার এই ভয়ংকর পরিণতি দেখে বাঁচানোর চেষ্টা করেন কলেজেরই আরেক ছাত্র। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত নির্যাতিতার গায়ের আগুন নেভাতে গিয়ে তিনিও দগ্ধ হন। শেষে তড়িঘড়ি দু’জনকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভুবনেশ্বর এমসে স্থানান্তর করা হয়।

গতকাল এমসের ডিরেক্টর আশুতোষ বিশ্বাস জানান, “শরীরের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে ওই নির্যাতিতার। লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাঁকে। পরের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

গঠন করা হয়েছে মেডিক্যাল বোর্ড

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দগ্ধ ওই ছাত্রীর শারীরিক অবস্থা দেখভালের জন্য মোট ১০ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আর এই ১০ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডের মধ্যে কার্ডিয়োলজি, মেডিসিন, প্লাস্টিক সার্জারি-সহ বেশ কয়েকটি বিভাগের চিকিৎসকেরা রয়েছেন।

বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রাও কমে গিয়েছে। সে কারণে তাঁকে বেশ কিছু ভিটামিন দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে চিকিৎসকদের একাংশ।

আরও পড়ুন: যাত্রীসুরক্ষায় ৭৪ হাজার কোচে বসানো হবে CCTV! সিদ্ধান্ত রেলের, প্রশ্ন উঠছে কবচ নিয়ে

প্রশ্ন উঠছে ওড়িশা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে

এদিকে ওড়িশার বালেশ্বরের ফকির মোহন কলেজের অধ্যক্ষ দাবি করেছেন যে, ছাত্রীর অভিযোগ নিয়ে কলেজের অন্তর্বর্তী কমিটি ইতিমধ্যেই তদন্ত চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত বিভাগীয় প্রধান ও কলেজের অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করা হয়। নানাবিধ প্রশ্নের মুখে ওড়িশা শিক্ষা দফতর।

গোটা ঘটনায় বিরোধী দলনেতা বিজেডির নবীন পট্টনায়ক রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। শেষ আপডেট অনুযায়ী জানা গিয়েছে আজ ওড়িশা সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

Leave a Comment