=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

এবার হেলিকপ্টারে চড়ে দার্জিলিং? পর্যটকদের জন্য খুলতে পারে আকাশ পথ

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই একের পর এক দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার তাঁর হাত ধরেই উত্তরবঙ্গে (North Bengal) প্রথম চালু হতে চলেছে সিভিল হেলিকপ্টার (Civil Helicopter)। পর্যটন ব্যবস্থায় যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকারের এমন পদক্ষেপ নিয়ে বেশ খুশি সকলে। আসলে এতদিন পাহাড়ের কোল থেকে সেনা হেলিকপ্টার যাতায়াত করলেও, সিভিল হেলিকপ্টার নামেনি। যার ফলে পাহাড়ে কখনও গড়ে ওঠেনি স্থায়ী হেলিপ্যাডও। এবার সেই ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে।

সাধারণের জন্য নেই কোনো স্থায়ী হেলিপ্যাড

সময় যত এগোচ্ছে, পাহাড় প্রেমীদের সংখ্যা ততই যেন বাড়ছে। প্রায় সময়ই দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং -এ ভিড় যেন উপচে পড়ে পর্যটকদের। মোটামুটি যাতায়াতের ক্ষেত্রে সব সুবিধা থাকলেও আকাশপথে যাতায়াতে রয়েছে খানিক সমস্যা। পাহাড়ের লেবং–এ সেনা ছাউনিতে নিয়মিত হেলিকপ্টার ওঠা–নামা করে। সেখানে স্থায়ী হেলিপ্যাড রয়েছে। কিন্তু পর্যটকরা সেই সুবিধা গ্রহণ করতে পারে না। এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বয়া রাজ্যের মন্ত্রীরা পাহাড়ে যাতায়াতের সময়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেনা হেলিকপ্টারে করে এই লেবংয়েই নামাওঠা করে।

সিভিল হেলিকপ্টারে পাহাড়ে শুভেন্দু!

গত ১৬ জুন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কার্শিয়াং থেকে বাগডোগরা ফিরেছিলেন রাজ্য সরকারের হেলিকপ্টারে অর্থাৎ সাধারণ সিভিল হেলিকপ্টারে। এমনকি বাগডোগরা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কার্শিয়াং যাওয়ারও কথা ছিল ওই হেলিকপ্টারে। কিন্তু, সকালে মেঘ থাকায় বিমান ব্যবস্থা ব্যাহত হয়, তাই আকাশপথে না গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সড়কপথে কার্শিয়াং যান। পরে আকাশ পরিষ্কার হতেই তাঁকে ফিরিয়ে আনতে বাগডোগরা থেকে উড়ে যায় রাজ্যের ভাড়া নেওয়া এয়ারবাস H145 হেলিকপ্টারটি। এর মাধ্যমেই বাগডোগরা ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে যে তাহলে এই পরিষেবা, পাহাড়ের অন্যান্য পর্যটনকারীদের জন্য কেন নয়।

দরজা খুলল পর্যটনের

জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাহাড় সফরের জন্য কার্শিয়াং এর কোচরান প্যালেস হোটেলের পাশের মাঠে একটি অস্থায়ী হেলিপ্যাড বানানো হয়েছিল। যদিও সেটি সেনারই অনুমতিক্রমে বানানো হয়েছিল। তবে এবার পর্যটনকারীদের জন্য হেলিকপ্টার পরিষেবা নিয়ে আসা হচ্ছে। সূত্রের খবর, আগামী দিনে স্থায়ী হেলিপ্যাড বানাতে টেন্ডার করতে চলেছে রাজ্যের পূর্ত দপ্তর। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘কোচরান প্যালেসের পাশে স্থায়ী হেলিপ্যাড বানানো যাবে না, কারণ সেটি সেনাদের জায়গা। আমরা কার্শিয়াং এ স্থায়ী হেলিপ্যাডের জন্য জায়গা খুঁজছি। আপাতত দার্জিলিংয়ে ধোতরেতে ইতিমধ্যেই স্থায়ী হেলিপ্যাডের জন্য জায়গা চিহ্নিত হয়েছে এবং কালিম্পংয়ের মংসুং–এও জায়গা ঠিক হয়েছে।”

আরও পড়ুন: রাজ্যে শুধু চলবে শুধু এসি বাস! মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে খুশি আমজনতা

প্রসঙ্গত, এর আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহুবার পাহাড়ে গেলেও সড়কপথেই যাতায়াত করেছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যও কখনও সে ভাবে হেলিকপ্টার ব্যবহার করেননি। তবে এবার পাহাড়ে সিভিল হেলিকপ্টারের পরিষেবা পেতে চলেছে সাধারণেরা। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানিয়েছেন, ‘পাহাড়ে সিভিল হেলিকপ্টার চালু হলে লাক্সারি ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের বিপুল লাভ হবে। এমনকি পাহাড়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়ও উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা যাবে সিভিল হেলিকপ্টারকে।’

Leave a Comment