বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মঙ্গলবার, নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর রাগ করে কালীঘাট তৃণমূলের (Trinamool Congress) একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ ছেড়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। ঠিক সেই ঘটনার 24 ঘণ্টার মধ্যেই বুধবার বিপাকে পড়লেন কল্যাণ। লোকসভার গোটা বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হল তৃণমূল সাংসদকে। জানা যাচ্ছে, মহিলা সাংসদদের সাথে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগেই তৃণমূলের শ্রীরামপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে লোকসভার স্পিকার অফিস।
কল্যাণের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
বুধবার, লোকসভায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মহিলাদের কটুক্তি থেকে অসম্মান করার অভিযোগ তুলেছিলেন অন্যান্য মহিলা সাংসদরা। শুধু তাই নয়, তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার সাথে সাথে লোকসভার স্পিকারের কাছেও অভিযোগ পত্র জমা দেন তাঁরা। আর তারপর পরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে লোকসভার গোটা বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করে দিল স্পিকার অফিস।
এদিন, তৃণমূল ত্যাগী NCPI সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার ফের কল্যাণের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলা সাংদদের গালিগালাজ করেছেন। বিশেষ করে মহিলা সাংসদ মিতালী বাগকে অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করেছেন তিনি। কাকলির কথায়, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের মিতালী বাগকে গালিগালাজ করেছেন। উনি মহিলাদের সম্মান করতে পারেন না। সংসদের বাইরে এবং ভেতরে মহিলাদের বিরুদ্ধে বাজে আচরণ করেন তিনি। উনি একজন নারী বিদ্বেষী মানুষ।”
অবশ্যই পড়ুন: অবশেষে টিম ইন্ডিয়ায় শামি! ২০২৭ বিশ্বকাপের জন্য বাছা হল দল, স্কোয়াডে আর কে কে?
জানা গিয়েছে, এদিন সরকারের পক্ষ থেকে তৃণমূল সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব রেখেছিলেন অর্জুন মেঘাওয়াল। এরপর কল্যাণকে সাসপেন্ড করা যায় কিনা তা নিয়ে লোকসভায় হয় ভোটাভুটি। আর তারপরেই তৃণমূল সাংসদকে সাসপেন্ড করার পক্ষেই সবুজ সংকেত দিয়ে দেয় লোকসভা।