বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিরাট আন্দোলন (CJP Protest)। কেন্দ্রীয় (Central Government) শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি। সব নিয়েই এতদিন উত্তাল ছিল গোটা দেশ। ছাত্র-ছাত্রীদের অধিকারের দাবিতে পথে নেমেছিলেন মধ্য বয়স্করাও। দেশের কোণায় কোণায় হওয়া মিছিলে পা বাড়িয়েছিলেন শিক্ষক শিক্ষিকারাও। আর সেই জনরোষ বা জন আন্দোলনের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সে কথা আনন্দের সাথে ঘোষণা করেছেন CJP প্রধান অভিজিৎ দীপকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও যন্তর মন্তর ছাড়বে না আরশোলার। এখন মানতে হবে আরও দুটি দাবি।
সরকারের আরও দুই দাবি না মানলে আন্দোলন ছাড়বে না CJP
শনিবার, চাপের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর পদ ছেড়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিজে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীকে পাঠিয়ে দিয়েছেন ইস্তফা পত্র। আর এই গোটা বিষয়টি একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের যুব সমাজকে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় যন্তর মন্তরের অনশন মঞ্চে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়, আরশোলাদের প্রধানকে। তবে এদিন অভিজিৎ এও জানিয়ে দিলেন, সরকার আরও দুটি দাবি না মানলে রাজপথ ছাড়বেন না তাঁরা।
বলাই বাহুল্য, নিটের প্রশ্ন ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে পথে নেমেছিলেন দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাঁদের মূলত তিনটি দাবি ছিল। আগেই সেই দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে রেখেছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরা। আরশোলাদের প্রথম দাবি ছিল, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। ইতিমধ্যেই সেই দাবি পূরণ হয়েছে। তবে বাকি থেকে গেছে দুটি দাবি।
গতকালই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক করে আরশোলারা জানিয়েছিল তাঁদের দাবিগুলির কথা। সেখানেই সরকারের পক্ষ থেকে জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং আশ্বস্ত করেন CJP এর দুই দাবি অর্থাৎ প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যাকারী ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবার পিছু এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ এবং যতজন ছাত্রছাত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে সেই সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করা হবে।
অবশ্যই পড়ুন: পোলিও আক্রান্ত, বেচেছেন সবজি! চালিয়েছেন রিক্সাও, ভারতের জন্য পদক জিতলেন সেই ঝাণ্ডু
তবে লিখিতভাবে আশ্বাস মিললেও এখনও পর্যন্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এখনই যন্তর মন্তর থেকে অনশন তুলছে না CJP। সরকারের কাছে আবেদন, তারা যত দ্রুত এই দাবি পূরণ করবে তত তাড়াতাড়ি তাঁরা আন্দোলন থেকে সরে আসবে! এছাড়াও এদিন অনশন মঞ্চ থেকে নতুন একটি দাবি পেশ করেন আরশোলাদের প্রধান। বলেন, 20 জুলাই যেসব পুলিশ আধিকারিকরা গুন্ডার মতো আচরণ করেছিলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের উপর লাঠি চালিয়েছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেই হবে।