=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করতে স্ত্রীকে বাধ্য করা যাবে না, জানাল হাইকোর্ট

সহেলি মিত্র, কলকাতা: পারিবারিক অশান্তিতে বড় রায় দিল হাইকোর্ট। কোনো মহিলার বাপের বাড়ি যাওয়ার জন্য স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অনুমতির প্রয়োজন নেই। শুধু তাই নয়, আদালত বলেছের যে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে নিজের শশুর বা শাশুড়িকে দেখাশোনা করতে বা বাড়ির কাজ করতে বাধ্য করতে পারেন না। সেইসঙ্গে সংসারের কাজ স্বামী ও স্ত্রীর দুজনে সমান সমান ভাগ করে নেওয়া উচিৎ।

বড় রায় হাইকোর্টের

কর্ণাটকের তুমাকুরু পারিবারিক আদালতের একটি আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানির সময় কর্ণাটক হাইকোর্ট (Karnataka High Court) এই পর্যবেক্ষণটি করে। ওই আদেশে এক ব্যক্তিকে তার স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যাকে ভরণপোষণ বাবদ প্রতি মাসে ৯,০০০ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নেলামঙ্গলা তালুকের সতিশ নামের ব্যক্তি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি ডঃ চিল্লাকুর সুমালাথার বেঞ্চের সামনে বিষয়টি তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। তিনি এই বিষয়ে রায় দেন যে বাবা ও মায়ের যত্ন নেওয়ার প্রাথমিক দায়িত্ব পুত্র বা কন্যার উপর বর্তায়, জামাই বা পুত্রবধূর উপর নয়।

বাড়ির কাজ সমানভাবে ভাগ করে নেওয়া উচিৎ: হাইকোর্ট

শুনানির সময় কর্ণাটক হাইকোর্টের বিচারক বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি না কেন একজন মহিলাকে তার কোনো ইচ্ছা পূরণের জন্য শ্বশুরবাড়ির সবার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। তিনি যখন খুশি তার বাবা-মায়ের বাড়িতে যেতে পারেন।” আদালত বলেছে, “স্বামী বা অন্য কেউ কোনো মহিলা বা তার স্ত্রীকে বাড়ির কাজ বা তার পিতামাতার যত্ন নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশ দিতে পারে না। বাড়ির কাজ নারী-পুরুষের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা উচিত। ” হাইকোর্টে মামলাকারী ব্যক্তি দাবি করেছিলেন যে, তাঁর স্ত্রী বাড়ির কাজ করতেন না এবং এমনকি তাঁর শ্বশুর-শাশুড়িরও যত্ন নিতেন না।

আবেদনকারী দাবি করেন যে, তিনি একজন শ্রমিক (কুলি) এবং সম্মত অর্থের পরিমাণটি অতিরিক্ত ছিল, কারণ তাঁকে তাঁর বয়স্ক পিতামাতারও দেখাশোনা করতে হতো। তিনি আরও বলেন যে, বিয়ের ছয় মাস পর শ্বশুরবাড়ির প্রতি তাঁর স্ত্রীর মনোভাব বদলে যায় এবং তিনি বাড়ির কাজ বা তাদের যত্ন নিতে অস্বীকার করেন।

আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গে বিপর্যয়ের জেরে অতিরিক্ত বাস ঘোষণা সরকারের, কোন রুটে কটি?

আবেদনকারী নিজের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে, তিনি তার বা তার স্ত্রীর বাবা-মায়ের অনুমতি ছাড়াই একাধিকবার তাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বিচারপতি চিল্লাকুর সুমালাথা পর্যবেক্ষণ করেন যে, আবেদনকারীর বক্তব্য যেকোনো সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে এমন প্রতীয়মান হবে যেন আবেদনকারী/স্বামী তাঁর প্রতিবাদী/স্ত্রীকে বাড়ির কাজ এবং তাঁর পিতামাতার দেখাশোনা করার জন্য কর্মচারী হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। হাইকোর্ট বলেছে, ‘আবেদনকারীর এই বক্তব্য যে তাঁর স্ত্রী তার অনুমতি ছাড়াই বাপের গিয়েছিলেন, তা আবেদনকারীর  চিন্তাভাবনা প্রকাশ করে এবং তার স্ত্রীর আচরণ ও পছন্দকে নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশ দেওয়ার ইচ্ছাকেই তুলে ধরে।’ আর এরইসঙ্গে

Leave a Comment