=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“নবমীতে বাঙালি পাঁঠার মাংস খায়, আমিও খাব” আমিষ বিতর্কের মাঝেই ঘোষণা শমীকের

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: দুর্গাপুজো মানেই ভুঁড়িভোজ। তবে এই পুজোয় বাঙালি আমিষ খেতে পারবেন কি না, তা নিয়েই এখন চলছে জোরদার বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্ট থেকে শুরু করে চায়ের দোকানের আড্ডা, সর্বত্রই মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে একই প্রশ্ন, এবার পুজোয় আমিষ না নিরামিষ? পুজোর সময় আমিষ খাবার বিক্রি বা মণ্ডপের বাইরে আমিষের স্টল নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি উঠলেও, সেই খবরের এখনও কোনও সরকারিভাবে সম্মতি মেলেনি। রাজ্য সরকারের তরফেও এমন কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। এরই মধ্যে বাগেশ্বর ধামের পীঠাধীশ্বর ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীর দুর্গাপুজোয় আমিষ খাবার খাওয়ার বিরোধিতামূলক মন্তব্যকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এবার সেই প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন রাজ্য বিজেপির (BJP) সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

‘নবমীর দিন পাঁঠার মাংস খায় বাঙালি’

দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়ার উপর সত্যিই কি কোনও বিধিনিষেধ আসতে চলেছে? এই প্রশ্নের জবাবে শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে দেন নিজের অবস্থান। তাঁর কথায়, নবমীর দিন বাঙালির পাঁঠার মাংস খাওয়ার দীর্ঘদিনের রীতি রয়েছে। অষ্টমীর দিনের খাবারের প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। রসিকতার সুরেই শমীক বলেন, তাঁর স্ত্রী বা বাবা-মা কেউ এখন সঙ্গে নেই, থাকলে বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে কচি পাঁঠার মাংস খাওয়াতেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেউ যদি নবমীর দিন পাঁঠার মাংস খাওয়ার নিমন্ত্রণ করেন, তাহলে তিনি নিজে যাবেন সেই নেমন্তন্ন রক্ষা করতে। তাঁর সঙ্গে বহু বিজেপি কর্মীও যাবেন বলে মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।

ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে শমীক বলেন, বাগেশ্বর বাবা সারা দেশে পরিচিত এবং তাঁর বহু ভক্ত রয়েছে। তাঁর সঙ্গে নিজের সাক্ষাতের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তবে কার কী খাওয়া উচিত বা কী উচিত নয়, সেই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার তাঁর নেই বলেই মনে করেন শমীক। একজন সন্ন্যাসী হিসেবে ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী নিজের মতামত জানাতেই পারেন, কিন্তু সেটিকে কোনও বাধ্যতামূলক নিয়ম হিসেবে দেখার কারণ নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি।

আরও পড়ুন: UNESCO-র বিশ্ব ঐতিহ্যের সম্ভাব্য তালিকায় যুক্ত হল ভারতের আরও চার ঐতিহাসিক স্থান

‘কে কী খাবেন, সেটা উনি ঠিক করে দেবেন না’

শমীকের বক্তব্য, বর্তমানে অনেকেই নিজেদের পছন্দে নিরামিষাশী বা ভেগান জীবনযাপন করছেন। অর্থাৎ অনেকেই মাছ-মাংস থেকে দূরে গিয়ে শুধুমাত্র শাকসবজি ইত্যাদি খাবারের উপরই বেঁচে রয়েছেন। এই ধরনের খাদ্যাভ্যাস সারা বিশ্বেই দেখা যাচ্ছে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কী খাবেন আর কী খাবেন না, তা অন্য কেউ নির্ধারণ করে দেবেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে শমীক প্রশ্ন তোলেন, ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীকে এমনভাবে তুলে ধরা হচ্ছে যেন তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। ফলে দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে তাঁর বক্তব্য যথেষ্ট স্পষ্ট, খাবারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার মানুষের নিজের, কোন সাধু নিজের ধ্যান-ধারণা মানুষের উপর চাপিয়ে দিতে পারেন না।

Leave a Comment