“ভগবান রামচন্দ্রের অভিশাপেই সব ধ্বংস হয়েছে” সর্বহারা মমতাকে তুলোধোনা মুখ্যমন্ত্রীর

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সর্বহারা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের হাতে আঁকা প্রতীকের পাশাপাশি দলের নামটুকুও হারিয়েছেন তিনি। কালীঘাট তৃণমূলের এখন নতুন নাম মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের নতুন প্রতীক ফুটবল খেলোয়াড়। এমনকি সবচেয়ে বড় ব্যাপার, প্রতীকের পাশাপাশি নন্দীগ্রামের প্রার্থীকেও হাতছাড়া করেছেন তিনি। এবার এ নিয়েই সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ভগবান রামচন্দ্রের অভিশাপে সবকিছু ধ্বংস হয়েছে বলেই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।

মমতার প্রতীক হারানো নিয়ে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর

আজ থেকে ২৮ বছর আগে, অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে নিজের হাতে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক তাঁর হাতেই আঁকা। তবে এবারের নির্বাচনে ভরাডুবির পর যেন সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গেল। একদল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৈরি করে ফেলল নব্য তৃণমূল। অন্যদিকে গুটিকয়েকজন বিধায়ক নিয়ে একঘরে হয়ে পড়লেন মমতা। তবে যেহেতু সামনেই রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন, তাই কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এবার দুই দলকেই বেছে নিতে হল নতুন নাম এবং প্রতীক।

আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সরাসরি উল্লেখ না করেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইলেকশন কমিশনের সিদ্ধান্ত ইলেকশন কমিশন নেবে। নিয়ম মেনে সব পক্ষের কথা শুনতে হয়েছে। উনি নিজের দলকে একজোট রাখতে পারেননি। দুই ভাগ, তিন ভাগ, চার ভাগ হয়ে গিয়েছে। তার দায়িত্ব তো ওনারই। এর সাথে আমাদের বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। আমি নির্বাচনের দিন, গণনার দিন হলদিয়ায় বসেছিলাম। আর যেই থাকুক এরা থাকবে না।”

আরও পড়ুন: Approved হলেও ঢুকছে না অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা, কী করবেন জেনে নিন

এমনকি রামচন্দ্রের উদাহরণ টেনে এনে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কটাক্ষ করে বলেন, “তার কারণ হচ্ছে অতি দর্পে হতা লঙ্কা। অতি মানে চ কৌরবা। দম্ভ যার হবে, সেই দম্ভের চূর্ণ ভগবান করবে। সর্বশক্তিমান আছেন। হিন্দু ধর্মকে গন্দা ধর্ম বলা, মহাকুম্ভকে মৃত্যু কুম্ভ বলা, আর রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাম মন্দির মানি না বলে মিছিল করা, আছেন উনি। ভগবান রামচন্দ্রের অভিশাপেই সব ধ্বংস হয়েছে।”

Leave a Comment