=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“হিন্দু-মুসলিম করবেন না, ৭০-৩০…” রেজিনগর থেকে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে হিন্দু (Hindu) মুসলিম (Muslim) বিভাজন না করার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের সমর্থনে আয়োজিত জনসভা থেকে স্থানীয় ভোটারদের উদ্দেশে এই আবেদন জানান তিনি।

মঞ্চে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

আগামী ৬ অক্টোবর রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। এই আসনে বিজেপির প্রার্থী শাখারভ সরকার। নির্বাচনী প্রচারের মঞ্চ থেকে রেজিনগরের বাসিন্দাদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “রেজিনগরকে বলব আমাদের ঋণে আবদ্ধ করুন। হিন্দু-মুসলিম করবেন না। ৭০-৩০ করবেন না। রাষ্ট্রবাদীরা সরকারের পাশে থাকুন। রেজিনগরও মডেল বিধানসভা হবে।”

রেজিনগরকে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে সেখানে বিজেপির প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে নামেন শুভেন্দু অধিকারী। সভা থেকে তিনি হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি না করে সকলকে একসঙ্গে থাকার আহ্বান জানান এবং উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপির পাশে থাকার বার্তা দেন। পাশাপাশি রেজিনগরকে ভবিষ্যতে “মডেল বিধানসভা” হিসেবে গড়ে তোলার কথাও বলেন।

উল্লেখ্য, হুমায়ুন কবীর বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ার পর রেজিনগর আসনটি খালি হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ভোটগণনা হবে।

 

আরও পড়ুন: এই এক কারণে ভারতের উপর খুশি হয়ে গেল পাকিস্তান

রেজিনগরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক প্রচার জোরদার হয়েছে। বিজেপির প্রার্থী শাখারভ সরকারও নির্বাচনী প্রচারে এলাকার উন্নয়ন, স্থায়ী সেতু ও কলেজের মতো বিভিন্ন স্থানীয় দাবির কথা তুলে ধরেছেন।

Leave a Comment