=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ফ্লাইট হাইজ্যাক থেকে শিক্ষা, কলকাতা এয়ারপোর্টের মসজিদে নামাজ বন্ধ করল হাইকোর্ট

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (Kolkata Airport) চত্বরে থাকা মসজিদে (Mosque) নামাজ পড়ার অনুমতি চেয়ে আদালত (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করা হয়। মামলাকারীদের আইনজীবী সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্ন তুললেও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জাতীয় নিরাপত্তার উপরই জোর দেওয়া হয়। সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আগামী ৭ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য হয়েছে।

মামলাকারী আইনজীবীর বক্তব্য

মামলাকারীদের হয়ে বর্ষীয়ান আইনজীবী কিশোর দত্ত জানান, বিমানবন্দর সম্প্রসারণের সময় বাঁকড়া গ্রামের জমি অধিগ্রহণ করে বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে মধ্যমগ্রামে সরানো হয়েছিল। কিন্তু গত ১১ জুলাই থেকে ওই মসজিদে প্রার্থনা পুরোপুরি বন্ধ। তাঁর দাবি, গত ৪০-৫০ বছর ধরে সেখানে নিয়মিত নামাজ হয়ে আসছে। অথচ মসজিদটি যে জমিতে রয়েছে, সেই জমি এখনও সম্পূর্ণ অধিগ্রহণ করা হয়নি। আদালত জানতে চায়, স্থায়ী ইনজাংশনের জন্য মামলাকারীরা নিম্ন আদালতে যাচ্ছেন না কেন। জবাবে কিশোর দত্ত বলেন, প্রয়োজনে যাতায়াতের রাস্তা বদলানো বা বিকল্প পথ দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু নামাজ পুরোপুরি বন্ধ করা সংবিধানবিরোধী। তাঁর বক্তব্য, এত বছর নিরাপত্তায় কোনও সমস্যা হয়নি যখন পরবর্তীতেও হবে না।

অন্যদিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আইনজীবী গোপাল মুখার্জি জানান, ওই এলাকায় শুধু প্রার্থনা নয়, বিভিন্ন বৈঠকও হত এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের ফলে রানওয়ের কাছাকাছি ঢুকে পড়ার মতো ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কেন্দ্রের আইনজীবী ত্রিবেদীও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে ১৯৯৩ সালের লালকেল্লা হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।

গত জুলাইয়ে মসজিদে নামাজ পাঠ বন্ধ করার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনাও ছড়ায়। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট বাঁকড়া এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিলেও পরে তা প্রত্যাহার করেন।

আরও পড়ুন: গুজরাটে শক্তি বাড়বে কংগ্রেসের! দলে যোগ দিচ্ছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

এদিকে অন্য রিপোর্ট অনুযায়ী, ঐতিহাসিক মসজিদটি বহু বছরের পুরনো এবং দ্বিতীয় রানওয়ের প্রায় ১৬৫ মিটার দূরে। তবু বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সংস্থা BCAS-ও সংবেদনশীল এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। বিমানবন্দর সম্প্রসারণ ও রানওয়ের ব্যবহার নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি নিয়ে আলোচনা চলছে।

Leave a Comment