সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বড় ঘটনা ঘটে গেল দেশে। চার্চে প্রার্থনা চলাকালীন হঠাৎ হওয়া বন্দুকবাজের (Church Firing) হামলায় প্রাণ গেল বহু মানুষের। জানা গিয়েছে, শুক্রবার জর্ডনের কারাক শহরের একটি গির্জার ভেতরে এক হামলাকারী গুলি চালালে সাতজন নিহত এবং আরও ৩৪ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। যদিও কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে বা এর উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
চার্চে বন্দুকবাজের হামলায় মৃত বহু
এক রিপোর্ট অনুযায়ী, জর্ডনের (Jordan) রাজধানী আম্মান থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে কারাক শহরের একটি গ্রিক অর্থোডক্স গির্জায় এই গুলির ঘটনা ঘটেছে। জর্ডান সরকারের মুখপাত্র মোহাম্মদ আল-মোমানি নিহত ও আহতের সংখ্যা জানিয়েছেন। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনাটি তদন্ত করছে। কারাকে একটি খ্রিস্টান সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীও রয়েছে। তবে, কর্তৃপক্ষ এখনও জানায়নি যে নিহত ও আহতরা কোন সম্প্রদায়ের ছিলেন বা হামলাকারীরা কাদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গির্জার কাছে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং তারা সন্দেহভাজনদের পিছু ধাওয়া করছে। কারাকের হামুদ গির্জায় একটি মিছিল চলাকালীন বন্দুকধারীরা একটি গাড়ি থেকে নেমে গুলি চালায়। তিনজন লোক ফুটপাত থেকে গির্জা লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছে। হামলাকারীরা গির্জার প্রবেশপথের দিকে ছুটে যাওয়ার আগে গাছ ও একটি ছোট দেয়ালের আড়ালে লুকিয়েছিল।
বিবৃতি জারি দেশের রাজার
বেশ কিছু প্রত্যক্ষদর্শী জানান যে, সেখানে উপস্থিত কয়েক ডজন লোকের ওপর রাইফেল ও পিস্তল হাতে থাকা অন্তত দুজন ব্যক্তি কয়েক মিনিট ধরে গুলি চালায়। জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ বলেছেন, এই হামলার পেছনে যারা রয়েছে, তাদের “কঠোরতম শাস্তি” দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতেই হবে, টাটা সন্সকে বিরাট ধাক্কা দিল RBI
তিনি এক বিবৃতিতে জানান, “কারাকে জঙ্গি হামলার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। যারা এই ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করে যে তারা তাদের গুলি দিয়ে জর্ডনের জনগণকে বিভক্ত করতে পারবে, তারা আমাদের ঐক্যের সামনে টিকতে পারবে না।” সবথেকে বড় বিষয়, জর্ডনে এ ধরনের হামলা বিরল, কারণ দেশটি মূলত স্থিতিশীল। তবে, জর্ডনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসলামপন্থী চরমপন্থীদের বেশ কয়েকটি হামলার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।