=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

দুবাইয়ে গিয়ে নিখোঁজ চুঁচুড়ার যুবক, ছেলের জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ পরিবার

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সংসারের হাল ফেরাতে আট মাস আগে দুবাই পাড়ি দিয়েছিলেন চুঁচুড়ার (Chinsurah) যুবক শোভন রায়। কিন্তু এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না পরিবার (Chinsurah Youth Missing)। চিন্তা এবং কান্নায় ভেঙে পড়েছে শোভনের মা। এদিকে বিদেশে তাঁর খোঁজ নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে শোভনের বাবা মা এবং ভাই। বিদেশমন্ত্রক থেকে শুরু করে দুবাই পুলিশের কাছেও ই-মেল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

দুবাইতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, হুগলি জেলার অন্তর্গত চুঁচুড়ার বঙ্কিমকাননের বাসিন্দা বছর ৩০ এর শোভন রায় চলতি বছর গত ৯ ফেব্রুয়ারি সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে এবং বাবার চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করতে দুবাই গিয়েছিলেন। সেখানে ‘ডেলিভারি বয়’ হিসেবে কাজ করছিলেন কিন্তু তখন থেকেই কর্মক্ষেত্রে নানা রকম চাপের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন যুবক। তার মধ্যেই গত ২১ অক্টোবর থেকে শোভনের কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছে না। ফোনে যোগাযোগ করা হলেও মিলছে না কোনো উত্তর। আর তাতেই দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েছে পরিবার।

কান্নায় ভেঙে পড়েছেন শোভনের মা

শোভনের মা সুবর্ণা রায় জানান, ‘গত সপ্তাহে বুধবার শেষবার ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছিল। ছেলে বলেছিল, মা কিছু টাকা পাঠাচ্ছি। মাংস এনো। আমি বলেছিলাম, না, ওই টাকা দিয়ে আগে ঠাকুরকে পুজো দেব। তার পর থেকে আর ছেলের কোনও খোঁজ নেই।’ এখন পরিবারের আর্থিক সমস্যার কথা না ভেবে ছেলের বাড়ি ফেরার কথাই ভাবছেন শোভনের মা। অন্যদিকে কান্নায় ভেঙে পড়েছে শোভনের ভাই ও বাবা। ইতিমধ্যেই শোভনের পরিবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে। বিদেশমন্ত্রক থেকে শুরু করে দুবাই পুলিশের কাছেও ই-মেল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: ভুটানে শিনটাফু হ্রদ ভেঙে বিপুল জলস্রোত, বিপদে উত্তরবঙ্গ! মোতায়েন NDRF

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ শোভনের বাবা, প্রায় দেড় বছর আগে শোভনের বাবার চোখে ছানি অস্ত্রোপচারের পরে রেটিনায় জল জমতে শুরু করে। এর পরে দু’মাস অন্তর দামি ইঞ্জেকশন নেওয়ার প্রয়োজন হয়। শেষে সংসার চালানোর জন্য বাড়ির বড় ছেলে শোভন টোটো চালানো শুরু করেছে। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর কখনও টেলিকম সংস্থায়, কখনও ই-কমার্স সংস্থায় কাজ করেছেন এই যুবক। শেষে এক বন্ধুর সহযোগিতায় কর্মসূত্রে দুবাইয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন শোভন। কিন্তু সেটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।

পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ালেন বিজেপি নেতা

সূত্রের খবর, শোভনের পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা অজয় মহান্তি ওরফে কার্তিক এবং অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা। শোভনের সন্ধান পেতে তাঁরাও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যোগাযোগ করছেন অনবরত। অন্যদিকে, শোভনের ভাইও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ সব বিধায়কের কাছে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত প্রশাসন কতটা সাহায্য করতে পারে শোভনের পরিবারকে।

Leave a Comment