=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

নিজেদের ‘বিদ্রোহী’ ঘোষণা দলের ২৪ বিধায়কের, গদি হারাবে কাশ্মীরের আবদুল্লা সরকার?

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) হিসেবে প্রায় দু’বছর ধরে যাবতীয় দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা (Omar Abdullah)। ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। এবার নিজের দল ন্যাশনাল কনফারেন্সের (National Conference Party) একাংশ বিধায়কের (Member of Legislative Assembly) অসন্তোষকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন ওমর।

মন্ত্রিসভার রদবদল ঘিরেই অসন্তোষ

গত শুক্রবার শ্রীনগরে দলের বিধায়ক কাইজার জামশিদ লোনের বাসভবনে বৈঠকে বসেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের একাংশ বিধায়ক। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে ১৮ জন বিধায়ক সরাসরি বৈঠকে যোগ দেন এবং আরও ছ’জন ভিডিও কলে তাঁদের সমর্থন জানান। সব মিলিয়ে ২৪ জন বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। মূলত গত ২৭ অক্টোবর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের পরেই এই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। চারজন নতুন মন্ত্রীকে জায়গা দিলেও একাধিক প্রবীণ ও অভিজ্ঞ বিধায়ক মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাননি। ফলে দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই সম্প্রসারণে আলি মহম্মদ সাগর, শামিমা ফিরদৌস, মীর সইফুল্লাহ এবং আলতাফ আহমেদ কালুকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করেন ওমর। অন্যদিকে, মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েন সতীশ শর্মা। এই সিদ্ধান্তেই ক্ষুব্ধ দলের একাংশ। বিশেষ করে প্রবীণ বিধায়ক মুবারক গুল এবং আবদুল মজিদ লারমি মন্ত্রিসভায় জায়গা না পেয়ে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন। লারমি দাবি করেন, মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এমনকি, দলের কয়েকজন নেতার সমর্থকরাও প্রতিবাদে সরব হন।

অসন্তুষ্ট বিধায়কদের অভিযোগ, দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নাসির আসলাম ওয়ানি এবং দলের সাংসদ শাম্মি ওবেরয়ের বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিক বিষয়ে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, এই দুই নেতার ভূমিকার কারণে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিধায়কদের বক্তব্য পৌঁছচ্ছে না। পাশাপাশি, উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধরী-সহ কয়েকজন মন্ত্রীর কাজ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি,

  • পুরনো মন্ত্রীদের বাদ দিয়ে নতুন করে মন্ত্রিসভা সাজানো,
  • যোগ্যতা ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের ভিত্তিতে দায়িত্ব বণ্টন এবং
  • সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিধায়কদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে।

আরও পড়ুন: সংকোশ নদীতে ভেসে আসছে সারি সারি মরা মাছ, বিশেষ সতর্কবার্তা বনমন্ত্রীর

এবার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নিজেদের দাবি জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন অসন্তুষ্ট বিধায়করা। মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নাসির আসলাম ওয়ানিকে সরানো, উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধরী-সহ কয়েকজন মন্ত্রীকে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া এবং দু’বছর বা তার বেশি সময় ধরে দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের পরিবর্তে নতুন মুখ আনার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভায় কাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তা ঠিক করতে একটি পার্লামেন্টারি বোর্ড গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, এই দাবিগুলি নিয়ে ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লার সঙ্গে দেখা করতে চান বিধায়করা। এদিকে, বৈঠকে যোগ দেওয়া মুবারক গুলকে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, শ্রীনগরের সাংসদ আগা রুহুল্লা মেহদিও আগামী ৩ নভেম্বর দল ও লোকসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। সব মিলিয়ে দলের অন্দরের এই অসন্তোষ ওমর আবদুল্লার নেতৃত্বের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

Leave a Comment