=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ইংরেজি নয়, বাংলাতেই লিখতে হবে সরকারি প্রকল্পের সাইনবোর্ড, নির্দেশিকা নবান্নের

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: ভাষা শুধু মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম নয়, একটি জাতির পরিচয়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন ভাষার ব্যবহার ও গুরুত্ব ধরে রাখা যেমন জরুরি, তেমনই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবার তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও মাতৃভাষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের পরিচিত ভাষায় সরকারি প্রকল্পের বিবরণ জানতে পারলে সাধারণ মানুষের সুবিধা হয় অনেকটাই। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার সরকারি প্রকল্পের (Government Project) প্রচার ও তথ্যপ্রদর্শনের ক্ষেত্রে বাংলা (Bengali) ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)।

কী নির্দেশ দিল নবান্ন?

রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল গত ৬ নভেম্বর এই মর্মে একটি নতুন নির্দেশিকা জারি করেছেন। রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর, অধিদপ্তর, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন পর্ষদ, স্থানীয় প্রশাসন এবং জেলাশাসকদের এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরকারি প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কাজের জায়গায় থাকা তথ্যফলক, হোর্ডিং, সাইনবোর্ড, স্মারক ফলক এবং জনসাধারণের জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বাংলা ভাষায় তথ্য উল্লেখ করতে হবে।

কেন এই সিদ্ধান্ত নিল সরকার?

সরকারের নজরে এসেছে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি প্রকল্পের কাজ চললেও সেই সংক্রান্ত তথ্যফলকে শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি কেন্দ্রীয় প্রকল্প কিংবা অর্থ কমিশনের অনুদানে হওয়া কাজের বোর্ডেও এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য সহজে বুঝতে পারছেন না। সরকারের মতে, তথ্যফলকের মূল উদ্দেশ্য হল সাধারণ মানুষকে কাজের বিবরণ জানানো, প্রশাসনের স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সরকারি খরচের বিষয়ে জনজবাবদিহি নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যেই পরিচিত ভাষায় সমস্ত তথ্য প্রকাশের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

শুধু বাংলা ভাষার ব্যবহারেই সীমাবদ্ধ থাকছে না এই নির্দেশিকা। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার ভাষাগত বৈচিত্র্যের কথাও মাথায় রেখেছে সরকার। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি এলাকায়, এমনকি গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (GTA) অধীন এলাকাতেও সরকারি প্রকল্পের তথ্য নেপালি ভাষায় প্রকাশ করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সেখানে বাংলাও রাখা যাবে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী ইংরেজি বা হিন্দিতে তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন হলে সেই ভাষাগুলিও ব্যবহার করা যাবে। তবে বাংলা কিংবা নেপালি ভাষাকে প্রাথমিক গুরুত্ব দিতে হবে। অর্থাৎ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে তাঁদের পরিচিত ভাষায় সরকারি তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং স্থানীয় ভাষার গুরুত্ব বজায় রাখার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: এবার আরও কঠিন কৃষি ঋণ যাচাই, নিয়মে বদল আনল RBI

নতুন নির্দেশিকায় শুধু ভাষার পরিবর্তন নয়, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি তথ্যফলকে QR কোড যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের অনুমোদিত খরচ, অর্থের উৎস, কাজের দায়িত্বে থাকা সংস্থা, নির্ধারিত সময়সীমা, অবস্থান এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। পাশাপাশি প্রতিটি বোর্ডে প্রকল্পের নাম, কাজের বিবরণ, আনুমানিক ব্যয়, কাজ শুরুর ও শেষের তারিখ এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার যোগাযোগের তথ্যও উল্লেখ করতে হবে। যেসব চলতি প্রকল্পের জায়গায় এখনও তথ্যফলক নেই, সেখানে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বোর্ড বসাতে হবে। পুরনো বোর্ডগুলিতেও নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে বলা হয়েছে। এর ফলে সরকারি প্রকল্পের তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজে পৌঁছবে এবং প্রকল্পের কাজের উপর নজর রাখাও সহজ হবে।

Leave a Comment