=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

গড়িয়ায় লিভ-ইন সঙ্গীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ! গ্রেফতার প্রেমিকা ও তাঁর মা

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: প্রেমের সম্পর্ক মানেই একে অপরের পাশে থাকার অঙ্গীকার, একসঙ্গে ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন। কিন্তু সেই সম্পর্কেই যখন অবিশ্বাস, অশান্তি আর সংঘাত চরমে পৌঁছয়, তখন তার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, আরও একবার তার সাক্ষী থাকল কলকাতা। লিভ-ইন সম্পর্কে (Live-in Relationship) থাকা সঙ্গীর হাতেই প্রাণ গেল এক যুবকের! কলকাতার উপকণ্ঠে গড়িয়ার (Garia) একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর প্রেমিকার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই তরুণীর মাকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কেন এমন পরিণতি হল যুবকের?

শনিবার, ৭ নভেম্বর রাতে গড়িয়ার ফরতাবাদ এলাকার একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গেই থাকতেন যুগল। রাতের দিকে কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই অশান্তির মাঝেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে যুবকের শরীরে আঘাত করেন তরুণী। গুরুতর জখম অবস্থায় রক্তাক্ত যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উদ্ধার করা হয় দেহ এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়।

মৃত যুবকের নাম সার্থক সরকার, বয়স ২৫। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত প্রেমিকার নাম সঞ্চালিকা বসু। তাঁর মা মৌমিতা বসু। জানা যাচ্ছে, সঞ্চালিকার সঙ্গে গড়িয়ার ফরতাবাদে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন সার্থক। তবে তাঁদের সম্পর্ক কতদিনের, সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি। স্থানীয়দের দাবি, দু’জনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত।

ঘটনার পর তদন্তে নেমে সঞ্চালিকাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনায় তাঁর মা মৌমিতা বসুরও কোনও ভূমিকা রয়েছে কি না, সেই সন্দেহে তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ঘটনার নেপথ্যে পারিবারিক বা ব্যক্তিগত অশান্তি থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই সংঘাত, তা এখনও পরিষ্কার নয়। ধৃত দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। খুনে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার এবং মায়ের ভূমিকা-সহ একাধিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একটি সম্পর্কের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

আরও পড়ুন: তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে এবার শুরু হলফনামার যুদ্ধ, কারা পাবে প্রতীক?

উল্লেখ্য, কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় লিভ-ইন সম্পর্ককে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক ঘটনার নজির অবশ্য আগেও সামনে এসেছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দমদমের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে সার্থক দাস নামে এক যুবককে ছুরি দিয়ে আঘাত করে খুনের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর লিভ-ইন সঙ্গিনী সংঘতি পালের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, ২০২১ সালে নিউ টাউনে লিভ-ইন সঙ্গিনী ঋচা সিংহের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর সঙ্গী দেবব্রত পতি গ্রেফতার হয়েছিলেন। দুটি ঘটনাতেই সম্পর্কের মধ্যে অশান্তির বিষয়টি উঠে এসেছিল। সম্পর্কের টানাপোড়েনই কি এই মর্মান্তিক পরিণতির কারণ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রহস্য? খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Leave a Comment