=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পাঁচিল টপকে পালানোর চেষ্টা, জঙ্গলে ফেললেন মোবাইল! ফের ED-র নজরে জীবনকৃষ্ণ সাহা

SSC Recruitment Case

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আর কয়েক মাস বাদেই শুরু হতে চলেছে বিধানসভা নিবার্চন। ভোট পর্বের প্রস্তুতি নিয়ে যখন শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধী দলগুলি ব্যস্ত, সেই সময় ফের অ্যাকশন মুডে দেখা গেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED কে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের নয়া তথ্য খুঁজতে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে আজ সাতসকালে পৌঁছে গেল তদন্তকারীদের একটি দল। পাশাপাশি কলকাতা সহ একাধিক জেলায় সকাল থেকে তল্লাশি শুরু করল ED।

ফের তদন্ত অভিযানে নামল ED

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ সোমবার সকাল থেকেই SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্য জুড়ে ফের তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED। শুধু কলকাতা নয় এদিন সকাল থেকেই ইডির একাধিক দল মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম সহ মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে। জানা গিয়েছে এইমুহুর্তে মুর্শিদাবাদের আন্দিতে বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে ইডি আধিকারিকেরা রয়েছেন। এছাড়া বিধায়কের বাড়ির অদূরে মহিষ গ্রামের বাসিন্দা বেসরকারি ব্যাঙ্ক কর্মী রাজেশ ঘোষের বাড়িতেও হানা দেয় ইডির আরেকটি দল। এমনকি তল্লাশি অভিযান থেকে বাদ যায়নি জীবনকৃষ্ণ সাহার পিসির বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়িতে, সেখানেও ইডি হানা দিয়েছে।

পাঁচ সদস্যের দল বিধায়কের বাড়িতে!

এসএসসি নিয়োগ মামলায় বীরভূমের সাঁইথিয়ায় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মায়া সাহা ওরফে বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার পিসির বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED হানা দিয়েছে। অভিযোগ উঠছে তিনিও নাকি নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত সন্দেহে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। জানা গিয়েছে, আন্দিতে জীবনকৃষ্ণের গ্রামের বাড়ির সামনে সকাল সকাল দু’টি গাড়ি এসে থামে। একটিতে ছিলেন ইডি আধিকারিকেরা। অন্যটিতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলা হলে, ইডি আধিকারিকদের পাঁচ সদস্যের দল বাড়ির ভিতরে যায়।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে নিজের এলাকার বহু মানুষের চাকরির জন্য সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু মোটা টাকার বিনিময়ে সেসব চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন বড়ঞার বিধায়ক। তাঁর বাড়ি থেকে তার কিছু কিছু প্রমাণও মেলে বলে দাবি করে সিবিআই। এমনকি অভিযোগ উঠেছিল যে CBI তল্লাশির সময় প্রমাণ লোপাটের জন্য জীবনকৃষ্ণ নিজের দু’টি মোবাইল ফোন পুকুরে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। দীর্ঘ তল্লাশির পর পুকুরের জল ছেঁচে তা উদ্ধার করা হয়। কিন্তু এই মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দুর্নীতি মামলায় জামিনে মুক্ত জীবনকৃষ্ণ সাহা। তবে ED-র নজর থেকে এখনই রেহাই নেই তাঁর। সেই কারণেই আজ ফের তদন্তকারীদের স্ক্যানারে বড়ঞার বিধায়ক।

তবে এদিনও জীবনকৃষ্ণ সাহা আরেক কাণ্ড করেন। দাবি করা হচ্ছে যে, ইডির আধিকারিকদের দেখে পালাতে চান তৃণমূল বিধায়ক। তবে পালাতে না পেরে জীবনবাবু নিজের মোবাইল জঙ্গলে ছুঁড়ে ফেলেন।

আরও পড়ুন: গুনতে হবে অতিরিক্ত ৫ টাকা! দীর্ঘ ৮ বছর পর ভাড়া বাড়াল দিল্লি মেট্রো

অন্যদিকে, সাঁইথিয়ায় শাসকদলের কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়ির সামনেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়ির বাইরে পাহারায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। ইডি আধিকারিকেরা ভিতরে গিয়েছেন। তবে কেন এই হানা, কিসের খোঁজে তল্লাশি চলছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের পিয়ারাপুরে জীবনকৃষ্ণের স্ত্রী টগর সাহার বাড়িতেও ইডি রয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও কিছু উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়নি।

Leave a Comment