DA মামলায় সুপ্রিম কোর্টকে কড়া বাণ, রাজ্য অচল করারও হুঁশিয়ারি সরকারি কর্মীদের

dearness allowance case

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ DA বা মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness allowance) নিয়ে তোলপাড় সমগ্র বাংলা। কবে ষষ্ঠ বেতন পে কমিশনের আওতায় সরকার কবে ডিএ বৃদ্ধি করবে কিংবা পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় থাকা বকেয়া ডিএ মামলার চূড়ান্ত রায়দান কবে হবে? সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন বাংলার লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগীরা। উত্তর জানা নেই কারোর। এদিকে নতুন করে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে কর্মচারী সংগঠনগুলি। তবে এবার সুপ্রিম কোর্টকে উদ্দেশ্যে করে এই ডিএ মামলায় যে মন্তব্য ধেয়ে এল তা সকলকে অবাক করে রেখে দিয়েছে। আর এই মন্তব্য করেছেন খোদ কর্মচারী সংগঠনের নেতা মলয় মুখোপাধ্যায়।

DA মামলায় রাজ্য অচল করে দেবেন সরকারি কর্মীরা?

মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘ডিএ মামলার শেষ শুনানি হয়েছে আজ ৩ মাস হয়ে গেল। আমরা ভাবছি এই হয়তো আজ বা কাল চূড়ান্ত রায়দান করবে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু তা হচ্ছে না। যে কারণে কর্মচারী সমাজ বিরাট উদ্বিগ্নভাবে রয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, এত দেরি কেন করছে? আমরা তো ভেবেছিলাম যে বিচারপতিরা মামলা রিজার্ভ রাখার পর এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে রায়দান করে দেবে। বিচারপতিদ্বয় বলেছিলেম যে তাঁরা ডিএ মামলা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল, তাঁরা সব শুনবেন। আর এসব কথা শুনে আমরাও বুকে আশা জন্মেছিল।’

তিনি সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা প্রসঙ্গে জানান, ‘দেশের সর্বোচ্চ আদালতের ভূমিকা যদি এমন ন্যক্কারজনক হয় তাহলে সেখানে আমরা কী করতে পারি। তবুও আমরা আশা করছি, জানুয়ারি মাসে এখনও কয়েকটা দিন আছে, তারপর ফেব্রুয়ারি মাসে বাজেট হবে, বাজেটে হয়তো দেখা যাবে রাজ্য সরকার ১ কিস্তি ডিএ ছুঁড়ে দিয়েছে। সরকার জানে না যে সরকারি কর্মী, পেনশনভোগীরা রাজ্য অচল করে দিতে পারে।’

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের মহিলাদের ১০ হাজার টাকা দিচ্ছে সরকার, কারা পাবেন?

আশা কর্মীদের নিয়ে কী বললেন মলয় মুখোপাধ্যায়?

এদিকে সাক্ষাৎকারে আশা কর্মীদের চলমান বিক্ষোভ নিয়েও মন্তব্য করেছেন মলয়বাবু। তিনি জানিয়েছেন, ‘৫০০০ টাকা দিয়ে একটা মানুষের কি সংসার চলে? এটা রাজ্য সরকার বোঝে না? আশা কর্মীদের ন্যায্য দাবিকে আমরা কুর্ণিশ জানিয়েছি। ভোটের মুখে সরকার যদি তাঁদের দাবি অল্প হলেও মানে তাহলে ভালো। আর যদি না মানে তাহলে তা ভোটে বিরূপ প্রভাব ফেলবে।’

Leave a Comment