ভারতকে কাবু করতে ৫০০ শতাংশ ট্যারিফ চাপাতে চেয়েছিল ট্রাম্প (Donald Trump), কিন্তু এবার নিজের দেশেই বেকায়দায় পড়লেন তিনি। একসাথে ১০০০-এরও বেশি কোম্পানি আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে করল মামলা! শুধু তাই নয়, ট্যারিফের কারণে এবার লাভের পরিবর্তে লোকসান গুনতে হল আমেরিকাকে! নিজের দেশেই শুরু হয়ে গেল ট্রাম্প বিরোধী শ্লোগান! এবার পড়ে যেতে পারে খোদ ট্রাম্পের সরকার।
কী অবাক হচ্ছেন? বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে পড়ুন পুরোটা, আজ আপনাদের কাছে প্রমাণস্বরূপ তুলে ধরবো এমন কিছু কংক্রিট তথ্য যা বদলে দেবে জিওপলিটিক্সের পুরো ভাবনাটাই!
হঠাৎ গ্রিন সিগন্যাল ৫০০ শতাংশ ট্যারিফে!
২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ ট্যারিফ চাপিয়েছিল ট্রাম্প। কিন্তু, তাতেও কোনও লাভ হয়নি আমেরিকার। রাশিয়ার থেকে তেল কিনেই চলেছে ভারত।
তাই এবার ২০২৬-এর ৮ই জানুয়ারি, আরও এক বড় পদক্ষেপ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অনুমোদন দেন এক নতুন বিলের। যে বিল আইনে পরিণত হলে ভারত, চিন, ব্রাজিলেরর মতো দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ চাপাতে পারবে আমেরিকা।
আর এই ট্যারিফ দীর্ঘদিন ধরে একসাথে তৈরি করছিলেন রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এবং ডেমোক্র্যাট সেনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল।
আর এই আইন লাগু করার পিছনে আমেরিকার একাধিক উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমত, অধিকাংশ দেশ হয়তো পিছু হটবে এবং আমেরিকার তেল কিনতে বাধ্য হবে, যার ফলে রাশিয়ার অর্থনীতি ধ্বংস হবে। দ্বিতীয়ত, রাশিয়ার সাথে ভারত বা চিনের সম্পর্ক খারাপ হয়ে উঠবে। ফলে, আমেরিকার প্রভাব আরও বেড়ে যাবে।
যদিও এই ট্যারিফ যুদ্ধের শুরু এখন হয়নি, হয়েছে আরও আরও এক বছর আগে। সেই নিয়ে ইতিমধ্যেই আমরা একটি বিস্তারিত ভিডিও রয়েছে। আই বাটনে ক্লিক করে আপনি সেটি দেখতে পারেন।
ট্যারিফের খবর শুনেই নড়ে ওঠে ভারতের অর্থনীতি!
ট্রাম্পের অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই, ভারত জুড়ে হইচই শুরু হয়। বহুদিন পর ভারতের শেয়ার মার্কেটে যে ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছিল, তা এই খরেরর কারণে নিমেষে ধসে পড়ে। কয়েক লক্ষ কোটি টাকা ক্ষতি হয় ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের।
রিপোর্ট বলছে, ভারত সারা বিশ্বে ৪৩৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। যার মধ্যে প্রায় ৮৭ বিলিয়ন শুধু আমেরিকাতেই। আর এরই মধ্যেই কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ ট্যারিফ চাপিয়েছে আমেরিকা। ফলে, প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ভারত – এমনটাই বলছে FIEO-র হিসাব। এবার এই ট্যারিফ ৫০০ শতাংশ হলে, এই ক্ষতির পরিমাণ যে আরও বাড়বে তা বলাই বাহুল্য।
কিন্তু, ফ্যাক্ট বলছে অন্য কথা!
গত কয়েকদিনের খবর আর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ঘটনা বলছে – ভারত নয়, বরং নিজের ট্যারিফ জালে এবার নিজেই জড়িয়ে পড়েছে খোদ আমেরিকা ও ট্রাম্প। আর এবার আমরা সেই সমস্ত তথ্যগুলিই এক-এক করে তুলে ধরবো আপনাদের সামনে।
প্রথমত, ট্যারিফ নিয়ে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা!
জানলে অবাক হবেন, গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে শুরু করে প্রায় ১০০০-এরও বেশি আন্তর্জাতিক কোম্পানি, ব্র্যান্ড, আমদানিকারক এবং সংস্থা ট্রাম্পের ট্যারিফের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায় করেছে। শুধু তাই নয় ১৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে ট্রাম্প সরকারের কাছ থেকে। যে কারণে এক প্রকার বড়সড় প্যাঁচে পড়েছেন খোদ ট্রাম্প।
দ্বিতীয়ত, মার খাচ্ছে আমেরিকার কৃষকরাই!
ভারত ও আমেরিকার ট্রেড চুক্তি না হওয়ার অন্যতম মূল কারণই হল – মার্কিন কৃষিপণ্য, ডেয়ারি এবং জেনেটিকালি মডিফায়েড শস্যকে ভারতে প্রবেশ করতে না দেওয়া। তাই ট্রাম্প নিজের দেশের কৃষকদের জন্যই ট্যারিফের মাধ্যমে অন্যান্য দেশকে চাপে রাখতে চেয়েছিল।
কিন্তু, দেখা যাচ্ছে এতে আমেরিকার কৃষকদের লাভ হচ্ছে না উল্টে লস হচ্ছে। কারণ, প্রায় এক বছর হতে চলল – কিন্তু আমেরিকার সবচেয়ে বড় দুই কৃষিপণ্য সোয়াবিন ও ভুট্টার বিক্রি ট্যারিফের ফলে বাড়ার পরিবর্তে কমছে। যার ফলে আমেরিকার কৃষকদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে ভয় ও আতঙ্ক। কারণ এর আগে, চিনকে নিজেদের কৃষিপণ্য বিক্রি করতে গিয়ে ট্রাম্পের নেতৃত্বে চীনের বিরুদ্ধে শুল্কযুদ্ধ শুরু করে আমেরিকা। কিন্তু, সেখানেও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয় আমেরিকাকে। কারণ, তার পর থেকে চিন, আমেরিকা থেকে কৃষিপণ্য কেনা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। আর এবার ভারতও যদি সেই পথে হাঁটে তাহলে সারা বিশ্বের সব থেকে বেশি জনসংখ্যার দুই দেশের বাজার হারাবে আমেরিকা।
তৃতীয়ত, ট্রাম্পের সরকার ফেলে দেওয়ার প্ল্যান করছে ভারত!
রিপোর্ট বলছে, ট্রাম্পের আমলে ২১৬টি বড় কৃষি ফার্ম দেউলিয়া হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫৫% বেশি। আমেরিকার ফার্মগুলি ছোট নয়, তাদের গড় আকার প্রায় ৫০০ একর থেকে প্রায় ১০,০০০ একর। যার ফলে আমেরিকার কৃষকরা বিশেষ করে, আইওয়া, নেব্রাস্কা, কানসাস ইত্যাদি জায়গার বিশাল ফার্মগুলি রিপাবলিকান পার্টির বিরোধী হয়ে উঠেছে। কিন্তু, একসময় এই কোম্পানিগুলি মোটা ফান্ডিং দিয়েছিল রিপাবলিকান পার্টিকে।
পরিবর্তে, ভারত এখন আমেরিকার বাদাম ও পেস্তার ওপর থেকে শুল্ক তুলে নিয়েছে। জানা গিয়েছে, আমেরিকার বাদামের ৭০ শতাংশ আর পেস্তার ৯০ শতাংশই কিনছে ভারত। কিন্তু মাথায় হাত পড়েছে রিপাবলিকান নেতাদের, কারণ আমেরিকার ৯০% বাদাম উৎপাদন হয় ক্যালিফোর্নিয়ায়, যা জো বাইডেনের পার্টি অর্থাৎ ডেমোক্র্যাটদের শক্ত ঘাঁটি। অর্থাৎ, ভারত তলে তলে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থন যোগাচ্ছে।
তাই আমেরিকার আইনপ্রণেতারা, বিশেষ করে ট্রাম্পপন্থী নেতারা চিন্তায় পড়েছেন। তাদের মতে, যদি শুল্কযুদ্ধের সমাধান না হয় তাহলে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তারা বড় ক্ষতির মুখে পড়বেন।
চতুর্থ, BRICS-এর নতুন চেয়ারম্যান এখন ভারত
গত বছর ট্রাম্পের ট্যারিফ ঘোষণার পরেই নিউ ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিযুক্ত করা হয় ভারতের প্রাক্তন RBI গভর্নর ডঃ রাজীব রঞ্জনকে। এই নিউ ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক বা NDB হল BRICS দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যাঙ্ক, যা সরাসরি টেক্কা দেয় আমেরিকার IMF এবং World Bank-কে।
আর এবার ট্রাম্পের ৫০০ শতাংশ ট্যারিফ অনুমোদনের ইঙ্গিত আসার পরেই BRICS-এর চেয়ারম্যান পদে বসানো হয় ভারতকে। আর এটা এমন একটা সময়ে হল, যখন আমেরিকার ট্যারিফকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ব্যবসা করছে ভারত।
অনেকদিন ধরেই ডলারের উপর নির্ভরতা কমাতে একটি বিকল্প কারেন্সি আনতে চাইছে BRICS। কিন্তু সেই লক্ষ্যে সফল না হলেও ২০১৪ সালে BRICS চালু করে নিউ ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (NDB)। যা গত কয়েক বছর ধরে অত্যন্ত ভালো কাজ করছে। আর সব থেকে বড় বিষয় BRICS-এর এই ব্যাঙ্কে আমেরিকার কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই।
এই ব্যাঙ্ক, ইতিমধ্যেই ডলারের বিশ্বব্যাপী প্রভাবের ওপর চাপ তৈরি করছে। অনেক দেশ, নিজেদের কারেন্সি দিয়ে কেনা-বেচা করছে, অনেক সময় BRICS-এর সদস্য দেশগুলির কারেন্সি বা পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করছে, মূলত বলা যায় – ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, BRICS একটি “মাল্টিপোলার বিশ্ব ব্যবস্থা” গঠনের দিকেই এগোচ্ছে। মাল্টিপোলার বিশ্ব বলতে বোঝায় এমন এক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, যেখানে কোনও একটি দেশ নয়, একাধিক শক্তিশালী দেশ একসাথে বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও নিরাপত্তার নিয়ম ঠিক করবে।
আর এই সবই কাজই হবে এবার ভারতের নেতৃত্বে।
পঞ্চমত, ট্যারিফ চাপিয়ে ভারতের সুবিধা করে দিয়েছে আমেরিকা!
রিপোর্ট বলছে, ২০২৫ সালের আগস্ট মাস থেকে ৫০ শতাংশ ট্যারিফ চাপানোর পর আমেরিকার প্রায় ২৮ থেকে ৩৮ শতাংশ বাজার হারিয়েছে ভারত।
কিন্তু, অন্যদিকে বেড়েছে অন্যান্য দেশে রপ্তানির পরিমাণ। যেমন – UAE-র সাথে ভারতের বাণিজ্য বেড়েছে প্রায় ২৪ শতাংশ, স্পেনের সাথে বেড়েছে ১৫১ শতাংশ, চিনের সাথে বেড়েছে ৩৪ শতাংশ, ইজিপ্টের সাথে বেড়েছে প্রায় ৬৭ শতাংশ। এই তালিকায় রয়েছে জার্মানি, বেলজিয়াম, পোল্যান্ডের মতো প্রায় ২০টিরও বেশি দেশ।
আরও ভালোভাবে বললে, গয়না ও মূল্যবান পাথরের রপ্তানি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন বাজারে ৭৬ শতাংশ কমলেও, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বেড়েছে ৭৯%, হংকংয়ে বেড়েছে ১১%, বেলজিয়ামে বেড়েছে ৮%।
ঠিক একইভাবে, গাড়ির সরঞ্জামের রপ্তানি আমেরিকায় কমেছে ১২%। কিন্তু, সামগ্রিকভাবে গাড়ির যন্ত্রাংশের আন্তর্জাতিক রপ্তানি ৮% বেড়েছে।
২০২৫ সালে ট্যারিফ চাপানোর পর সেপ্টেম্বর মাসে সামুদ্রিক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ২৫ শতাংশ, অক্টোবরে বেড়েছে ১১ শতাংশ।
এমনকি ওই বছরের নভেম্বর মাসে এক লাফে প্রায় ১৯.৩৭ শতাংশ বেড়েছে দেশের রপ্তানি।
শুধু বিদেশ নয়, রিপোর্ট বলছে ২০২৫ সালের অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বর মাসে ভারত থেকে আমেরিকাতেই, মার্চেন্ডাইস পণ্যের রপ্তানি প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অর্থাৎ, কার লাভ হয়েছে, কার ক্ষতি – তা আপনারাই স্পষ্ট বুঝতে পারছেন এই সংখ্যাগুলি থেকে!
ষষ্ঠত, ভারত পাত্তা দিচ্ছে না আমেরিকাকে!
২৫, ৫০-এ কাজ না হওয়ায়, ৫০০ শতাংশ ট্যারিফ চাপালে ভয় পাবে ভারত – এমনটাই ভেবেছিল আমেরিকা। কিন্তু হল উল্টোটা। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, “ভারত কোনও চাপের মুখে মাথা নত করে সিদ্ধান্ত নেয় না। জ্বালানি সংগ্রহের নিরিখে ভারতের অবস্থান আগেও যা ছিল, এখনও তাই আছে। আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই; ১৪০ কোটি ভারতীয় যেন কম দামে জ্বালানি পান।“
ফলত এক কথায়, ভারতের ওপর জোর দিতে গিয়ে ভারতের বন্ধুত্ব হারিয়ে ফেলছে আমেরিকা।
সপ্তমত, উল্টে আমেরিকাকে চাপে ফেলছে ভারত!
এতদিন আমেরিকা ভারতের ওপর একাধিক বিষয়ে নির্ভরশীল ছিল। যেমন – ভারতের নির্মিত পোশাক, কম দামের জেনেরিক ওষুধ আমেরিকার মধ্যবিত্তদের নাগালে ছিল, তেমনই ভারতের আইটি পরিষেবার লাভ নিচ্ছিল একাধিক আমেরিকান কোম্পানি।
কিন্তু, এই ট্যারিফের ফলে – আমেরিকার বাজারে মূল্যবৃদ্ধি শুরু হয়েছে। জিনিস পত্রের দাম ৮ থেকে ১০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। ট্রাম্পের পাগলামির জন্য হয় মানুষকে বেশি দাম দিতে হবে, নয়তো সস্তা বিকল্পের দিকে যেতে হবে।
আমেরিকার টেক কোম্পানিগুলি ভারতের কয়েক কোটি ব্যবহারকারীর বিশাল ডেটা হারাবে। কারণ, এবার ভারত তথ্যকে ভারতের মধ্যে রাখার নিয়ম লাগু করবে, বাড়াবে ডিজিটাল সার্ভিস ট্যাক্স, আর অন্যদিকে আমেরিকার সিলিকন ভ্যালিতে বাড়বে হাঙ্গামা।
আমেরিকার ট্যারিফের ফলে ভারতের টেক্সটাইল আর ম্যানুফ্যাকচার আঘাত পেতেই, ভারত বোইয়ংয়ের ৩.৬ বিলিয়ন ডলারের ডিল থামিয়ে দিয়েছে, পরিবর্তে তারা ফ্রান্সের এয়ারবাসের সাথে কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অর্থাৎ, ভারত পাল্টা চাপ দেওয়া শুরু করে দিয়েছে।
ভারত ইচ্ছা করে ফেলছে রুপির দাম!
এতক্ষণ আপনারা যা শুনলেন, যা দেখলেন এই সবই ছিল কীভাবে আমেরিকা নিজের ট্যারিফ গেমে ফেঁসে গিয়েছে সেই তথ্য। কিন্তু এবার আমরা যে কথা তুলে ধরবো, তা হয়তো আপনাকে অবাক করে দিতে হবে।
ভারত ইচ্ছে করেই রুপির দাম কমাচ্ছে। কী অবাক হচ্ছেন? কিন্তু এটাই সত্যি! ডলারের তুলনায় রুপির দাম পড়লে, একদিকে যতটা লস হবে ভারতের, তার থেকে বেশি হবে লাভ।
কারণ ধরুন আজ ১ ডলারের দাম ৯০ রুপি। আর RBI-এর কাছে ১০০০ ডলার রিজার্ভে আছে। অর্থাৎ আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ভারত যদি সেই ডলার বিক্রি করে তবে পাবে মাত্র ৯০,০০০ রুপি, কিন্তু, কাল যদি ১ ডলার সমান ১০০ রুপি হয়, তাহলে ওই ১০০০ ডলার বিক্রি করে পাবে ১ লক্ষ রুপি।
ঠিক তেমনই বিদেশের মাটিতে কমবে ভারতীয় জিনিসের দাম – সেটা আমেরিকাই হোক বা ব্রিটেন। ফলে অনেকটাই বাড়বে ভারতীয় রপ্তানির পরিমাণ।
আর যদি দাম কমানো না হয়, সে ক্ষেত্রেও লাভ হবে ভারতীয়দের। ধরুন একটি পণ্য আন্তর্জাতিক মার্কেটে ১ ডলারে বিক্রি করে। আর বর্তমানে ভারতে ১ ডলারের মূল্য ৯০ রুপি। কিন্তু কাল যদি ১ ডলারের দাম ১০০ রুপি হয়ে যায়, তখন অন্য দেশ আমাদের থেকে ১ ডলারের মালই কিনবে, কিন্তু আমরা ১০ রুপি বেশি লাভ করবো।
এবার অনেকেই বলতে পারেন, রুপির দাম পড়লে তেলের দাম বাড়বে ভারতে। কিন্তু সেটা তখনই হবে যখন ভারত ডলারে তেল কিনবে। কিন্তু, ভারত যদি ডলারের পরিবর্তে রাশিয়ার সাথে রুপি-রুবেলে তেল কেনা-বেচা করে তবে সেই প্রশ্নই ওঠে না।
এখন আপনার কী মনে হয়, ভারত কি আমেরিকার কাছে বশ্যতা স্বীকার করবে, নাকি আরও বড়সড় প্যাঁচে পড়বে খোদ আমেরিকাই?
555xgame, yo! Quick games, keeps you entertained. Don’t expect to retire off it, but it’s a good time killer when you’re bored. Give it a look: 555xgame
234winlogin. That’s the spot. Easy to use interface and payouts are usually quick. Not bad if you are looking for straight forward fun. 234winlogin
RoyalPkrgame…time to dust off my poker face. Gonna try and bluff my way to the top. Someone said the competition is soft. Time to put that to the test. Let’s GOOOO! royalpkrgame
Anyone know where I can find accurate ‘bongda info’? Seriously, so much junk out there. So let me know what’s good and everything you’ve done on bongda info!
Looking at jollibee 777 casino. Hope the login and registration is smooth. No one likes a complicated sign-up process!
Alright everyone, let’s talk du doan xsmn minh ngoc! Who’s feeling lucky today? Post your predictions and good luck to us all! du doan xsmn minh ngoc
Для лучшей эффективности требуется свежие базы для хрумера https://www.olx.ua/d/uk/obyavlenie/progon-hrumerom-dr-50-po-ahrefs-uvelichu-reyting-domena-IDXnHrG.html, обновляемые регулярно.