প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বেশ কয়েকদিন ধরেই কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে এবং বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের (Kalyani Belgharia Expressway) সংযোগস্থল সেতু তৈরির কাজ চলছে। তবে এবার সেই কাজ শেষ হতে চলেছে। আগামী এক মাসের মধ্যে ওই কাজ শেষ করে আইনি জট এড়িয়ে অবশেষে সাধারণের জন্য চালু হতে চলেছে এই সেতু। যার ফলে ফেব্রুয়ারিতেই এই দুই এক্সপ্রেসওয়ের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হয়ে যানজটের সমস্যা দূর হবে। এখানেই শেষ নয়, একইসঙ্গে এই সেতুর মাধ্যমে দ্রুত ও মসৃণ হবে যান চলাচল। পুরোদমে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ।
মিটবে এক্সপ্রেসওয়ের যানজটের সমস্যা
নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই কল্যানী এবং বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের মধ্যে সংযোগকারী সেতুটি গাড়ি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেতু থেকে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দূরত্ব প্রায় ১০০ মিটার রাখা হয়েছে, যাতে সেতু থেকে গাড়িগুলি সরাসরি বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে না আসে। এর ফলে যানজটের সমস্যাও তেমন হবে না। তবে এখনই বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েকে সম্পূর্ণ যানজট মুক্ত করা যাবে না, এর জন্য আরও ছ’মাস সময় লাগবে। জানা গিয়েছে, নবনির্মিত সেতুর দ্বিতীয় অংশের কাজ যতদিন না হচ্ছে, ততদিন কাজে লাগানো হবে সার্ভিস রোডকে।
জুন মাসের মধ্যে শেষ হবে কাজ
রিপোর্ট মোতাবেক এইমুহুর্তে দক্ষিণেশ্বর ও বিমানবন্দরমুখী গাড়ির জন্য দু’টি আলাদা ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হচ্ছে। আর এই দু’টি ফ্লাইওভারই হতে চলেছে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের উপর। দ্রুততার সাথে স্বচ্ছতা মেনে এই কাজ করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে এই কাজ জুন মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। একবার ওই কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেই পুরোপুরি যানজটমুক্ত হবে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে। আসলে প্রথমে ঠিক ছিল, আপ এবং ডাউনের জন্য দু’টি আলাদা সেতু তৈরি হবে। কিন্তু মাঝখানে জমি বিতর্কের কারণে থমকে যায় কাজ। যার জল গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত।
আরও পড়ুনঃ সুকন্যা থেকে NSC, সহ প্রভিডেন্ট ফান্ড, ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে বাড়ল সুদের হার?
জমি বিতর্কে আটকে ছিল কাজ
উল্লেখ্য, উড়ালপুল নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমির জন্য জমিজট শুরু হয় প্রথম থেকেই। শুরুতে মোট ১৪ জন জমির মালিক জমি দিতে নারাজ হয়। পরে ১১টি পরিবার মামলা থেকে সরে দাঁড়ায়। তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মোট ৩টি পরিবার। জমি দিতে নারাজ ছিল এই পরিবারগুলি। নতুন এই এই উড়ালপুলের জন্য সব মিলিয়ে প্রায় ১৭ একর জমি প্রয়োজন। এর মধ্যেও জমিদাতাদের মোট ২০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে এই তিনটি পরিবার ক্ষতিপূরণের বদলে জমি দিতে নারাজ। এখানেই বিপত্তি নতুন এই উড়ালপুল নির্মাণে। তাই আপাতত একটি সেতু দিয়েই আপ ও ডাউনের গাড়ি চালানোর পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। এই লেনটি চওড়ায় ১১ মিটার। ফলে দ্বিমুখী যান চলাচলে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
আরও পড়ুন: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বাড়ছে সিগারেটের দাম! এক্সাইজ ডিউটি লাগু করল সরকার
প্রশাসনিক মহলের তরফে জানানো হয়েছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে বর্তমানে স্পিড রোডে পরিণত হয়েছে। সেক্ষেত্রে কোনও সিগন্যাল ছাড়াই কল্যানী এবং বেলঘরিয়া এই দুই এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগস্থল থেকে কাঁচরাপাড়ার কাঁপা মোড় হয়ে সরাসরি বড়জাগুলি পর্যন্ত যাওয়া যাবে সহজেই। এর প্রধান কারণ হল প্রতিটি সিগন্যালেই থাকবে এলিভেটেড করিডর। যার ফলে এই সংযোগস্থল এবং বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েকে সম্পূর্ণ যানজট মুক্ত রাখবে। তাই এই পরিকল্পনা সঠিক রূপায়ণে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে রাজ্য সরকার।
Just tried 789clubios, and wow, the interface is slick! Easy to navigate, and games load super fast. Definitely worth checking out if you’re looking for something new. Get your game on here! 789clubios