=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস! জানুন এই দিনের গুরুত্ব, কীভাবে, কবে থেকে শুরু হয়েছিল সবকিছু

World Failure Day

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সাফল্য নিয়ে তো সবাই গর্ববোধ করে, তবে কখনও ব্যর্থতা নিয়ে আলাদাভাবে পালন হয় এমন শুনেছেন? হ্যাঁ, আজ ১৩ অক্টোবর। গোটা বিশ্বজুড়ে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস (World Failure Day 2025)। ধরুন ,আপনি কোনও কিছু শুরু করেছিলেন, কোনও প্রজেক্ট বা এমন কিছু যেগুলি ভালো ফল পাওয়ার আশাতে শুরু করেছিলেন, তবে আপনার চেষ্টা বিফল হল, অর্থাৎ ব্যর্থতাই আপনার জীবনে ধরা দিল। তারপর আপনি নিজেকেই দোষারোপ করলেন। সেই ব্যর্থতাকে পালন করার জন্যই এই দিনটিকে বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস হিসেবে পালিত হয়।

বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস কবে, কীভাবে শুরু হয়েছিল?

জানা যাচ্ছে, ২০১০ সালে প্রথম এই বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস শুরু হয়েছিল। ফিনল্যান্ডের Aalto বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র-ছাত্রীরা এই দিনটির সূত্রপাত ঘটিয়েছিল। তারা ভেবেছিল, অনেকেই নতুন কিছু শুরু করতে ভয় পাচ্ছে। কারণ, ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা তাদের কুরে কুরে খাচ্ছে। তখনই তারা ভাবল যে, ব্যর্থতা নিয়ে যদি খোলাখুলি বলা যায় আর এটিকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করা যায়, তাহলে মানুষ আরও সাহসী হবে আর উৎসাহ পাবে। আর সেই ভাবনা থেকেই এই ব্যর্থতা দিবসের জন্ম। শুরুটা স্বল্প পরিসরে হলেও কয়েক বছরের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। আর ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে শুরু করে বড় বড় প্রতিষ্ঠানও এই দিনটিকে গুরুত্ব দিয়েই পালন করে।

নামের পিছনেই রয়েছে গভীর নিদর্শন

এই দিনটির নাম শুনলে অনেকেরই অবাক লাগতে পারে। কারণ এর পিছনে এক গভীর ভাবাদর্শ লুকিয়ে রয়েছে। যে কোনও ক্ষেত্রেই হোক, সে শিক্ষা, পড়াশোনা বা পেশা, কিংবা ব্যবসা, ব্যর্থতা আসবেই। সবার জীবনেই ব্যর্থতা একবার না একবার আসে। তবে সমাজে প্রায়শই এই জিনিসটাকে লজ্জার বা অপমানের বিষয় হিসেবেই দেখা হয়। এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করে জীবনে সাহস ফিরিয়ে আনার জন্যই আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবসের জুড়িমেলা ভার। এই দিনটি মানুষকে শেখায়, ব্যর্থতা কোনওরকম পরাজয় নয়, বরং নতুন সম্ভাবনার শুরু।

আরও পড়ুনঃ ‘বিকৃত নয়, উনি রাতে মেয়েদের বেরোতে না করেছিলেন!’ ভিডিও পোস্ট করে দাবি শুভেন্দুর

আর এই দিনটির মূল গুরুত্ব হল- আমাদের ব্যর্থতা সম্পর্কে ধারণা বদলে দেওয়া। সাধারণত ব্যর্থতাকে নেতিবাচক হিসেবেই সবাই দেখে। সেজন্যই এই দিনটিকে উৎসাহ দিয়েই পালন করা হয়। নিজের ব্যর্থতার গল্প এবং সেখান থেকে শেখার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া হয় এই দিনটিতে। ফলত, জীবন থেকে ভয় কমে আর সাহস সঞ্চার হয়।

তাই আজকের এই বিশেষ দিনটিতে একটাই কথা বলার- “শুভ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস। সাহস করেই নিজের ব্যর্থতাগুলিকে বুঝতে শিখুন এবং নিজের করা ভুলগুলি এড়িয়ে সফলতার শিখড়ে পৌঁছে যান।”

Leave a Comment